কক ও বাভুমার ব্যাটিং-এ লিড পেলো দক্ষিণ আফ্রিকা

প্রথম সারির ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার পর সপ্তম উইকেটে তেম্বা বাভুমা ও উইকেটরক্ষক কুইন্ট ডি ককের ১৬০ রানের দুর্দান্ত জুটিতে ওয়েলিংটন টেস্টে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে লিড নিয়েছে সফরকারী দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রথম ইনিংসে নিউজিল্যান্ডের ২৬৮ রানের জবাবে দ্বিতীয় দিন শেষে ৯ উইকেটে ৩৪৯ রান করেছে প্রোটিয়ারা। ফলে ১ উইকেট হাতে নিয়ে ৮১ রানে এগিয়ে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ডি কক ৯১ ও বাভুমা ৮৯ রান করেন। 
 
২ উইকেটে ২৪ রান তুলে প্রথম দিনের খেলা শেষ করেছিলো দক্ষিণ আফ্রিকা। দ্বিতীয় দিনেও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি প্রোটিয়া দলের উপরের সারির ব্যাটসম্যানরা। নাইটওয়াচম্যান কাগিসো রাবাদা ৮ ও হাশিম আমলা শুন্য রানে শুরু করে যথাক্রমে ৯ ও ২১ রানে থামেন। 
এরপর জেপি ডুমিনি ১৬ ও অধিনায়ক ফাফ ডু-প্লেসিস ২২ রানে থেমে যান। ফলে ৬ উইকেটে ৯৪ রানে পরিণত হয় দক্ষিণ আফ্রিকা। 
 
সেখান থেকে দলকে সামনের দিকে এগিয়ে নেন বাভুমা ও ডি কক। দুর্দান্ত ব্যাটিং নৈপুন্য প্রদর্শন করেন তারা। ওভার প্রতি ৪-এর বেশি রান তুলে দক্ষিণ আফ্রিকার লিডের পথ তৈরি করে ফেলেন বাভুমা ও ডি কক। 
 
দলীয় ২৫৪ রানে এই জুটি ভেঙ্গে নিউজিল্যান্ড শিবিরে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলার উপলক্ষ এনে দেন জেমস নিশাম। ৯১ রান করা ডি কককে শিকার করেন নিশাম। সপ্তম উইকেটে বাভুমা-ককের ১৬০ রানের জুটি দক্ষিণ আফ্রিকার রেকর্ড তালিকায় চতুর্থস্থানে উঠে আসে। 
ডি কক ফিরে গেলেও, দক্ষিণ আফ্রিকার লিড নিশ্চিত করেন বাভুমা। তিনি দলীয় ২৯০ রানে আউট হন। তখন বাভুমার নামের পাশে ছিলো ৮৯ রান। এরপর শেষ উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ৪৭ রানের জুটি গড়ে দিন শেষ করেন ভারনন ফিলান্ডার ও মরনে মরকেল। ফিলান্ডার ৩৬ ও মরকেল ৩১ রানে অপরাজিত আছেন। নিউজিল্যান্ডের কলিন গ্র্যান্ডহোম ও নিল ওয়াগনার ৩টি করে উইকেট নেন। 
 
সংক্ষিপ্ত স্কোর (দ্বিতীয় দিন শেষে):
 
নিউজিল্যান্ড : ২৬৮/১০, ৭৯.৩ ওভার (নিকোলস ১১৮, রাভাল ৩৬, ডুমিনি ৪/৪৭)। 
 
দক্ষিণ আফ্রিকা : ৩৪৯/৯, ৯৫ ওভার (ডি কক ৯১, বাভুমা ৮৯, গ্র্যান্ডহোম ৩/৫২)।