‘চলচ্চিত্র দর্শকদের চাহিদাকে পরিপূর্ণতা দিতে হবে’

 
বিদ্যা সিনহা মীম। ঢাকাই চলচ্চিত্রে গত কয়েকবছরে তার অগ্রগতিটা বেশ ইতিবাচক। বড়পর্দার পাশাপাশি ছোটপর্দাতেও দেখা যায় তাকে মাঝে মাঝেই। তার বর্তমান ব্যস্ততা ও চলচ্চিত্রের বিভিন্ন প্রসঙ্গে কথা বলেছেন বিনোদন প্রতিদিনের সাথে। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন দেবব্রত ভৌমিক।
 
এখনকার ব্যস্ততা কি নিয়ে চলছে?
 
এখন ‘দাগ’, ‘দুলাভাই জিন্দাবাদ’সহ বেশকিছু চলচ্চিত্রের শুটিংয়ের কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছি। এছাড়া নতুন কিছু চলচ্চিত্রের কথা চলছে। কাজগুলো হয়তো শিগগিরই শুরু হবে।
 
বড়পর্দার পাশাপাশি আপনি তো ছোটপর্দাতেও অভিনয় করছেন, ছোটপর্দার কাজের খবর বলুন—
 
আমার ইচ্ছে আমি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে নিয়মিত কাজ করবো। এজন্য ছোটপর্দা বা স্বল্পদৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্রে আমি নিয়মিত নই। অনেক দর্শক নাটকে আবারো অভিনয় করার জন্য আমাকে অনুরোধ করেন। বলতে পারেন, দর্শকদের অনেক চাওয়ার জন্য উল্লেখযোগ্য কাজ হলে নাটকে অভিনয় করছি।
 
বেশিরভাগ চলচ্চিত্রে শহুরে মেয়ের চরিত্রে আপনাকে দেখা যায়। সামনের চলচ্চিত্রগুলোতে চরিত্রের ভিন্নতা দেখা যাবে কী?
 
এর আগে সব ছবিতে শহরের আধুনিক মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছি। সেখানে প্রেম-ভালোবাসাকে কেন্দ্র করে ছিল ছবির গল্প। এবার ‘দুলাভাই জিন্দাবাদ’ চলচ্চিত্রে প্রথমবারের মতো গ্রামের গল্পে একজন সাধারণ মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করছি। আগেই বলেছি, আমি এমনিতে একটু বেছে বেছে কাজ করতে চেষ্টা করি। যখন যে ছবিতে কাজ করি তখন সেটা নিয়ে আশা থাকে। এই ছবিতে পারিবারিক একটি গল্প আছে।
 
আপনার চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে বেশ কয়েকবছর কেটে গেল। এখনকার অবস্থা প্রসঙ্গে কী বলবেন—
 
আমাদের চলচ্চিত্রের বর্তমান অবস্থাটা মাঝা মাঝি মানের। খুব ভালোও নয়, আবার একদখারাপও নয়। আমার বিশ্বাস, ভালো কাজের মধ্য দিয়েই চলচ্চিত্রের সফলতা আসবে। আর বর্তমানে সময়টা ভালো না কাটলেও শিগগিরই চলচ্চিত্রে সুদিন ফিরে আসবে। চলচ্চিত্রের সুদিন ফিরিয়ে আনতে হলে অবশ্যই আমাদের চলচ্চিত্রকে ভালো হতে হবে।
 
ভালো বলতে চলচ্চিত্রে দর্শকদের চাহিদাকে পরিপূর্ণতা দিতে হবে। যৌথ প্রযোজনার কাজ আগেও যেমন হতো এখনো হচ্ছে। যৌথ প্রযোজনার চলচ্চিত্র হিরোভিত্তিক হয়ে গেছে। যখন যে দিকের হিরো অভিনয় করছেন সেদিকেই গল্প থেকে শুরু করে চলচ্চিত্রের গুরুত্ব ঝুঁকছে।