সীতাকুণ্ড পৌরসদর মহাদেবপুর (প্রেমতলা) চৌধুরী পাড়া ছায়ানীড় ভবনে নিহত শিশু ও চার জঙ্গির মধ্যে দুই জঙ্গির লাশ নিতে তাদের পিতা মোজাফ্ফর ও নুরুল আলম থানায় হাজির হয়েছে। এদিকে ছায়ানীড় থেকে ১৫টি বোমা নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।
থানা সূত্রে জানা যায়, রবিবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত ছাড়ানীড় থেকে মোট ১৫টি বোমা নিষ্ক্রিয় করা হয় এবং ভবনটির একটি কক্ষ থেকে বোমা বানানোর ২ হাজার ৫‘শ লোহার মার্বেল ডাইস উদ্ধার করা হয়। তবে সেখানে আরো বোমা বানানোর বিপুল পরিমান সরঞ্জাম আছে বলে পুলিশ দাবি করে।
অপরদিকে, নিহত ৪ জঙ্গির মধ্যে কামাল উদ্দিন ও তার স্ত্রী জোবাইদা ইয়াছমিন এর বাড়ি নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারি ইউপি’র ৯ নং ওয়ার্ডে যৌথ খামারপাড়া এলাকায়।
নিহত জঙ্গির কামাল উদ্দিনের পিতা মোজাফ্ফর আহম্মদ দৈনিক ইত্তেফাককে জানান, শনিবার গভীর রাতে বাইশারি থেকে সীতাকুণ্ড থানায় তার ছেলের লাশ নেয়ার জন্য আসে। তার সাথে বেয়াই নুরুল আলম (আটককৃত জহিরের পিতা) নিহত জোবাইদার লাশ নিতে আসেন বলে তিনি জানান। এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত সন্ধ্যা গড়িয়ে গেলেও নিহত দুই জঙ্গির পিতাকে চমেক হাসপাতালের মর্গে লাশ শনাক্ত করতে নিয়ে যাওয়া হয়নি বলে জানা যায়।
এদিকে সীতাকুণ্ড থানার ওসি ইফতেখার হাসান জানান, নিহত জঙ্গি কামাল উদ্দিন ও তার স্ত্রী জোবাইদা ইয়াছমিনের পিতাকে লাশ শনাক্ত করার জন্য থানায় আনা হয়েছে।