শততম টেস্টে বাংলাদেশের অসাধারণ জয়ের কিছু বিষয় সংখ্যায় তুলে ধরা হল:
৪, ৪৬টি অ্যাওয়ে টেস্টে চতুর্থ জয়: পি সারা ওভালে ৪ উইকেটে জয়ের আগে ২০১৩ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হারারেতে জিতেছিল। অন্য দুইটি জয় ছিল ২০০৯ সালে খর্বশক্তির ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের বিপক্ষে।
১০০ টেস্টে নবম জয়, গত অক্টোবরে মিরপুরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয়টি ছিল বাংলাদেশের অষ্টম জয়। এছাড়া জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৫টি ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুটি জয় রয়েছে টাইগারদের।
১৮, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম টেস্ট জিততে তাদের বিপক্ষে ১৮টি টেস্ট খেলতে হয়েছে বাংলাদেশকে। এর থেকে বেশি সময় লেগেছে শুধু দুটি দলের। ইংল্যান্ডকে হারাতে নিউজিল্যান্ডের তাদের বিপক্ষে ৪৮টি টেস্ট খেলতে হয়েছে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২৫টি টেস্ট খেলে তাদের হারানোর স্বাদ পেয়েছে বাংলাদেশ।
৭, তামিম ইকবাল ও সাব্বির রহমানের ১০৯ রানের জুটিটি চতুর্থ ইনিংসে বাংলাদেশের মাত্র সপ্তম শতরানের জুটি। ২০১৪-১৫ মৌসুমের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে চতুর্থ ইনিংসের সর্বশেষ শতরানের জুটিতেও ছিলেন তামিম।
১০, ডিসিশন রিভিউ সিস্টেমে সিদ্ধান্ত বদলানোর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ড স্থাপিত হল পি সারা ওভালে। মাঠের আম্পায়ারের ১০টি সিদ্ধান্ত আম্পায়ার পাল্টে দিয়েছেন। সর্বোচ্চ রেকর্ডটি বাংলাদেশের ম্যাচেই, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে ১১টি সিদ্ধান্ত পাল্টানো হয়।
০, চলতি সিরিজের আগে শ্রীলংকার বিপক্ষে কোনো সিরিজ ড্র করতে পারেনি বাংলাদেশ। সর্বশেষ ৫টি সিরিজের তিনটি ড্র করল বাংলাদেশ।
৪, নিঃসন্দেহে সাকিব আল হাসান সর্বকালের সেরা বাংলাদেশি ক্রিকেটার। এই যেমন রবিবার চতুর্থবারের মত টেস্টে ম্যান অব দ্য সিরিজ হলেন। আর কোনো বাংলাদেশি ক্রিকেটার একবারের বেশি সিরিজ সেরা হননি।
৯, বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা ৯টি পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস খেলেছে যা কোনো অ্যাওয়ে সফরে সর্বোচ্চ। চলতি বছর নিউজিল্যান্ড সফরে আটটি পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস খেলেছিল বাংলাদেশে।