নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে পাগলা কুকুর ও শিয়ালের কামড়ে ৯ শিশুসহ ১২ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে ৭ শিশুসহ ১০ জনকে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে বিকেল ৩টার মধ্যে পাগলা কুকুরে কামড়ানোর ঘটনা ঘটে।
এর আগে গত বুধবার রাতে ১ শিশুকে পাগলা কুকুর ও আরেক শিশুকে গত রবিবার রাতে পাগলা শিয়ালে কামড়িয়েছে। এদিকে আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হলেও ভ্যাকসিন না থাকায় বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করতে ভুক্তভোগীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের শিশুসহ বেশ কয়েকজনকে পাগলা কুকুরে কামড়ানোর খবর পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে বিকেল ৩টার মধ্যে পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত হয় উপজেলার মোজাফরপুর ইউনিয়নের বানিয়াগাতী গ্রামের নূর ইসলামের শিশুসন্তান সোহাগ (১০), একই ইউনিয়নের হারুলিয়া গ্রামের আবুল খায়েরের শিশুকন্যা ফাহিমা আক্তার (৯), একই গ্রামের মঞ্জুর মিয়ার কন্যা মারিয়া (৫), উপজেলার চিরাং ইউনিয়নের সাগুলী গ্রামের সিরাজুল ইসলামের কন্যা দীনা আক্তার (২২), একই গ্রামের মস্তু মিয়ার শিশুকন্যা ফাহিমা (৪), একই ইউনিয়নের ধোপাগাতী গ্রামের মৃত খোদা নেওয়াজের ছেলে শাহজাহান (৬০), উপজেলার কান্দিউড়া ইউনিয়নের বেজগাতী গ্রামের জাহাঙ্গীরের শিশুসন্তান নূরুজ্জামান (৯), একই গ্রামের খোরশেদ মিয়ার শিশুসন্তান সুমন (৫), হাজী রহমানের স্ত্রী তাজমহল (২২), আশরাফুল ইসলামের শিশুকন্যা মুক্তামণি (৪), কুন্ডুলী গ্রামের সাকিম মিয়ার শিশুকন্যা জুঁই আক্তার (৪) ও পৌর শহরের তুরুকপাড়া গ্রামের বাবলু তালুকদারের শিশুকন্যা স্বর্ণা আক্তার (৫)। আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছে।
কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাইফুল ইসলাম জয় এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ‘আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং হাসপাতালে ভ্যাকসিন না থাকায় বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে’।