কাউখালীতে সাড়া জাগিয়েছে গ্রাম্য অ্যাম্বুলেন্স ভ্যান সার্ভিস

বছরের শুরুতে কাউখালী উপজেলায় শুরু হয়েছে ইজিবাইক গ্রাম্য অ্যাম্বুলেন্স ভ্যান সেবা। যা ইতোমধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে। উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রসূতি ও শিশুদের দ্রুত সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে তৈরি গ্রাম্য অ্যাম্বুলেন্স ভ্যান সেবা।

খুব দ্রুত মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাওয়ায় ২৪ ঘন্টা উপজেলার কাউখালীসহ বিভিন্ন এলাকায় গরিবের অ্যাম্বুলেন্স হিসেবে মানুষের মনে ঠাঁই পেয়েছে। উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের মুমূর্ষু রোগীদের একশ টাকার বিনিময়ে দ্রুত সেবা ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কাউখালী সদর ইউনিয়ন পরিষদের অর্থায়নে প্রায় দুই লাখ টাকা ব্যয় করে রিচার্জেবল ইজিবাইক দিয়ে রোগী বহনের উপযোগী করে তৈরি এ গ্রাম্য অ্যাম্বুলেন্স ভ্যান। রোগীদের যে কোনো প্রয়োজনে শুধু অ্যাম্বুলেন্স চালকের মোবাইলে কল করলেই হাজির হয়ে যাচ্ছে এই গরিবের গ্রাম্য অ্যাম্বুলেন্স ভ্যান।

স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হবু ও নব্য মায়ের কয়েকবার স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যেতে হয়। সাধারণ পরিবহনে গেলে মা ও শিশুর ক্ষতি হতে পারে। বিষয়টি কাউখালী সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুর রশীদ মিলটনকে ভাবিয়ে তোলে। সেটা গত বছরের কথা। এ নিয়ে তিনি এলাকার সংসদ সদস্য, উপজেলা চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেন। পাশাপাশি ওয়ার্ড মেম্বার আর গ্রামবাসীর সঙ্গেও আলোচনা করেন। এভাবেই বেরিয়ে আসে মাতৃসেবার আইডিয়া। সম্প্রতি এর উদ্বোধন করেছেন জাতীয় পার্টি- জেপির চেয়ারম্যান এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এমপি।

এখন অ্যাম্বুলেন্স পেতে প্রত্যন্ত পল্লীর মানুষের ঝামেলা হচ্ছে না। শুধু চাই চালকের বা স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের মোবাইল নম্বর। মাত্র একশ থেকে ১৫০ টাকায় হাসপাতালে যাওয়া যায়। অ্যাম্বুলেন্সে রয়েছে  রোগী  শোয়ার ব্যবস্থা, তাকে সাহায্যকারীর বসার স্থান এবং অক্সিজেনের ব্যবস্থা।

কাউখালী ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুর রশীদ মিলটন বলেন, বেশির ভাগ মানুষ গ্রামে বাস করে। গরিবদের পক্ষে বেশি টাকা খরচ করে অ্যাম্বুলেন্সে করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া সম্ভব হয় না। কম খরচে সব সময় সেবা দেওয়া যায়। এজন্য গ্রাম্য অ্যাম্বুলেন্স ভ্যানটি তৈরি করা হয়েছে।

ইত্তেফাক/নূহু