কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে পারিবারিক কলহের জের ধরে ফুফাতো ভাই সহিদের ছুরিকাঘাতে মামাতো ভাই আবদুল বাতেন (৫০) খুন হয়েছেন। শনিবার উপজেলার বিপুলাসার ইউপির বাকরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আবদুল বাতেন বাকরা গ্রামের মৃত আবদুর রহমানের ছেলে।
নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সহিদ ও বাতেন ফুফাতো-মামাতো ভাই। তারা উভয়েই একই গ্রামের বাসিন্দা। প্রায় ছয় বছর আগে সহিদের ভাগিনার সঙ্গে ফুফাতো ভাই আবদুল বাতেনের মেয়ে নার্গিস আক্তারের বিয়ে হয়। গত একমাস পূর্বে শশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে বনিবনা না হওয়ায় নার্গিস আক্তার তার বাবার বাড়িতে চলে আসেন। শুক্রবার সামাজিকভাবে উভয় পরিবারের মাঝে সমঝোতা বৈঠক হলেও নার্গিসকে নিতে তার শাশুড়ি না আসায় নার্গিসের বাবা আবদুল বাতেন মেয়ে দিতে অসম্মতি জানালে তারা চলে যান। শনিবার সকালে নার্গিসকে নেওয়ার বিষয়ে কথা বলার জন্য সহিদ তার মামাতো ভাই আবদুল বাতেনকে বাড়ির পাশে দোকানে ডেকে নিয়ে আসেন। এসময় উভয়ের মাঝে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সহিদ উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে বাতেনকে ফেলে চলে যান। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
মনোহরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সামসুজ্জামান ইত্তেফাককে জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ইত্তেফাক/কাউছার