‘নতুন প্রজন্মকে বিনোদন দেওয়াটা চ্যালেঞ্জের বিষয়’

 
আদনান ফারুখ হিল্লোল। দেশের জনপ্রিয় একজন অভিনেতা। পাশাপাশি অনলাইন চ্যানেল ‘থার্ড বেল’-এর কর্ণধার। টিভি নাটক ও ব্যক্তিগত চ্যানেল নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন একাধারে। নিজের সাম্প্রতিক ব্যস্ততা ও তরুণ প্রজন্মের মাঝে অনলাইন কেন্দিক বিনোদনের সাড়া নিয়ে কথা বললেন বিনোদন প্রতিদিনের সাথে। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন মোস্তাফিজ মিঠু
 
আপনার বর্তমান ব্যস্ততা প্রসঙ্গে বলুন—
 
‘থার্ড বেল’ নিয়েই মূলত এখন বেশি ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে। বিভিন্ন কন্টেন্ট তৈরির করছি। গতমাসেও আমরা ‘ইটিশ পিটিশ’ শিরোনামে একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ইউটিউবে রিলিজ দিলাম। এখন পরবর্তী কন্টেন্টের কাজ করছি। এছাড়া বেশকিছু ধারাবাহিক নাটকের শুটিং করছি।
 
‘থার্ড বেল’ মূলত অনলাইন টিভি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। সেই জায়গা থেকে দর্শকদের জন্য নতুন করে কী করছেন?
 
আমরা দর্শকদের সুবিধার জন্য অ্যাপ তৈরি করেছি। সেখান থেকে তারা টিভির সাথে কানেক্ট করে দেখতে পারবেন। এই সুবিধাটা দর্শকরা পাবেন এখন থেকে।
 
এখনকার প্রজন্ম ইউটিউব কেন্দ্রিক। সেখানেই সবাই এখন পছন্দের সবকিছু দেখে নিচ্ছেন। সেখান থেকে অনলাইন টিভির সাড়াটা কেমন পাচ্ছেন?
 
আমরাও কিন্তু ইউটিউব কেন্দ্র করেই কাজ করছি। আমাদের ‘ইটিশ পিটিশ’ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি সেখান থেকেই দর্শকরা দেখছেন। মূল জায়গাটা ইউটিউব কেন্দ্রিক। সেখানে আমাদের চ্যানেল থেকেই দর্শকরা আমাদের কন্টেন্টগুলো দেখতে পারেন। এছাড়াও আমাদের অ্যাপ ব্যবহার করে দর্শকরা সুবিধা তো পাচ্ছেনই। নতুন প্রজন্মকে বিনোদন দেওয়াটা চ্যালেঞ্জের বিষয়। কারণ তাদের হাতে এখন এত অপশন যে, চাইলেও তারা ইন্টারনেটে সার্চ দিয়ে পছন্দের নাটক, গান বা ছবি দেখে নিতে পারেন। সেই জায়গা থেকে কাজের মানের বিষয়ে ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তাদের ধরে রাখতে দেশের বাইরের সাথেও আমাদের প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে।
 
টিভি নাটকে অনেকদিন ধরেই পেশাদার প্রযোজকহীনতা চলছে। এই অবস্থার কোনো উন্নতি এখনো দেখা যাচ্ছে না। এ বিষয়ে নিয়ে কী বলবেন?
 
পেশাদার প্রযোজক যে একবারেই নেই এমনটা নয়। না হলে এত নাটক নির্মাণ হতো না। সমস্যাটা হচ্ছে একক নাটকের ক্ষেত্রে। ধারাবাহিকগুলোতে প্রযোজকরা কিছুটা নিশ্চিন্ত থাকলেও একক নাটকের ক্ষেত্রে প্রযোজকদের একটা রিস্কে থাকতে হয়। এ বিষয়টিতে চ্যানেল কর্তৃপক্ষ ইতিবাচক ভূমিকা পালন করতে পারেন। টিভি নাটককে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সংগঠনও এখন সরব হয়েছে। সংগঠনগুলো থেকে আশা করি ভালো কোনো খবর পাওয়া যাবে। আমাদের শিল্পটাকে মূলত আমাদেরই বাঁচিয়ে রাখতে হবে।
 
ইত্তেফাক/আনিসুর