ঢাকার বহুতল ভবনগুলোতে অগ্নিদুর্ঘটনা মোকাবেলায় কি ধরনের ব্যবস্থা বিদ্যমান রয়েছে সে বিষয়ে প্রতিবেদন চেয়েছে হাইকোর্ট। এ বিষয়ে কমিটি করে চার মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের মেয়র, রাজউক চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স মহাপরিচালককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল সোমবার এই আদেশ দেন। এ ছাড়া, অগ্নি দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ফায়ার সার্ভিসের সক্ষমতার বিষয়েও প্রতিবেদন চেয়েছে হাইকোর্ট। সংস্থাটির কি পরিমাণ জনবল, আধুনিক যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম রয়েছে সে বিষয়ে তথ্যসংবলিত প্রতিবেদন দিতে হবে ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালককে।
ঢাকার নিমতলীর পর চক বাজারের চুড়িহাট্টায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এরপর বনানীর এফ আর টাওয়ারে আগুনে মারা যান ২৬ জন। এ ঘটনায় হাইকোর্টে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও গুলশান সোসাইটির মহাসচিব ব্যারিস্টার শুক্লা সারওয়াত সিরাজ। আবেদনের পক্ষে তিনি নিজেই শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী জিনাত হক।
শুনানি শেষে স্বাধীন তদন্তের পর চকবাজার ও এফ আর টাওয়ারের অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে। দুই সপ্তাহের মধ্যে স্বরাষ্ট্র সচিবসহ সকল বিবাদীকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
পরে রিটকারী আইনজীবী বলেন, রাজধানী ঢাকায় অগ্নি দুর্ঘটনা মোকাবেলায় যান্ত্রিক সুবিধা, লোকবলসহ সামগ্রিক কি কি ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন সে ব্যপারে বুয়েট-জাপান ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার প্রিভেনশন অ্যান্ড আরবান সেফটি বিভাগের কাছ থেকে একটি বিশেষজ্ঞ প্রতিবেদন নিয়ে তা দাখিল করতে বলেছে হাইকোর্ট।