কলকাতার মাঠে আবাহনীর বিপক্ষে লড়াইয়ের জন্য পুরো শক্তি নিয়েই নেমেছিল মোহনবাগান। হাইতির সনি নর্দে এবং জাপানি ফুটবলার কাতসুমি ইউসা, যারা ছিলেন মোহনবাগানের নির্ভরতা। তাদের ছাপিয়ে মোহনবাগানের জালে বল পাঠিয়ে সম্ভাবনা জাগিয়ে ছিল আবাহনী। জনাথনের গোলে স্বপ্ন দেখে আবাহনী। শেষ পর্যন্ত আবাহনী ১-৩ গোলে মোহনবাগানের কাছে হেরেছে।
কলকাতার রবীন্দ্র সরোবরের স্টেডিয়ামের ১০ হাজার দর্শক ধারণ ক্ষমতার একতলা গ্যালারির হাজার দুইয়েক দর্শক দেখেছেন দুই দেশের দুই ক্লাবের ফুটবল লড়াই। যেখানে ঢাকা হতে গিয়েছিলেন আবু হাসান চৌধুরী প্রিন্স, এক সময় বাংলাদেশ জাতীয় দলের খেলা এখন ভারতেই বসবাসকারী সাবেক ফুটবলার প্রদীপ পোদ্দার, আবাহনীর আরো কিছু সমর্থক।
এএফসি ই গ্রুপের এই ম্যাচটায় প্রথম থেকেই আবাহনীর ফুটবলাররা মোহনবাগানের বিপক্ষে দুর্দান্ত খেলে গোল আদায় করে। ম্যাচের ২০ মিনিটে স্ট্রাইকার জীবনের কাটব্যাকের বলটাকে গোলে পরিণত করেন মিডফিল্ডে খেলা ইংলিশ স্ট্রাইকার জনাথন ডেভিড। এরপরও আবাহনীর ডিফেন্ডার ওয়ালী ফয়সাল গোলের সুযোগ তৈরি করেছিলেন। কিন্তু মোহনবাগানের ডিফেন্ডাররা ফাঁক গলে বল বেরিয়ে যেতে দেননি। চলমান লিগের ১৮ ম্যাচ খেলেছে মোহনবাগান। আর আবাহনী কলকাতায় যাওয়ার আগে একটা প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছিলো রহমতগঞ্জের বিপক্ষে। আবাহনীর রক্ষণভাগে দুর্বলতা। নাসির চৌধুরী, রায়হান, ইয়াসিন, বাদশা, ওয়ালী ফয়সাল সামাল দিয়েছেন। সোহেল রানার সঙ্গে অধিনায়ক মামুন মিয়াকে মাঝমাঠে নিয়ে আক্রমণভাগে এমেকা ডার্লিংটন, জনাথন ডেভিড, নাবিব নেওয়াজ জীবন খেলেছেন।
ম্যাচটার প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে বাঁশি বাজার মুহূর্তে গোল হজম করে আবাহনী। মোহনবাগানের জেজে গোল করে ১-১ গোলে সমতা আনে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আবারো গোল হজম করে আবাহনী। বলবান গোল করলে মোহনবাগান ২-১ গোলে এগিয়ে যায়। আর ম্যাচের ৮৭ মিনিটে সনি নর্দে গোল করে মোহনবাগানের জয় নিশ্চিত করেন।
ইত্তেফাক/রাফাত