সীমান্তে ল্যান্ডমাইন অপসারণে এক সঙ্গে কাজ করবে বিজিবি-এমপিএফ

 
সীমান্তে জিরো লাইনের আশে পাশে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলোর পুতে রাখা স্থল মাইনের কারণে বিজিবি সেখানে যেতে পারছে না। পুতে রাখা এ সব স্থল মাইন ও ইম্পোভাইসড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) বিস্ফোরণে নিহত ও আহতের ঘটনা পরিহার করতে মিয়ানমার পুলিশ ফোর্স (এমপিএফ) ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে।
 
ঢাকায় অনুষ্ঠিত অতিরিক্ত মহাপরিচালক (বিজিবি) ও এমপিএফ-এর মধ্যে ৫ দিন ব্যাপী সীমান্ত সম্মেলন শেষে আজ বৃহস্পতিবার সকালে বিজিবি সদর দফতরে যৌথ প্রেস ব্রিফিংয়ে বিজিবির অতিরিক্ত মহাপরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল আনিসুর রহমান এ কথা জানান।
 
প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, দুই দেশের সীমান্ত সম্মেলনে মিয়ানমার পুলিশ ফোর্সের কাছে সেই দেশে ৪৯টি ইয়াবা কারখানা থাকার একটি তালিকা দেয়া হয়েছে। ঐ সব কারখানা দ্রুত বন্ধ করে দেয়ারও দাবি জানায় বিজিবি কর্তৃপক্ষ। মিয়ানমার পুলিশ ফোর্সের প্রধান  বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মেয়ো সেও উইন জানান, ইয়াবার ভয়াল থাবায় মিয়ানমারও আক্রান্ত। তারা চেষ্টা করছেন ইয়াবা সরবরাহ বন্ধ করার জন্য। এ ব্যাপারে বিজিবি'র সঙ্গে ইয়াবা প্রতিরোধে এক সঙ্গে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
 
প্রেস ব্রিফিংয়ে বিজিবির অতিরিক্ত মহাপরিচালক বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে এক সঙ্গে কাজ করার একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে। রোহিঙ্গাদেরকে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে মিয়ানমার পুলিশ ফোর্স বিজিবিকে সহায়তা করবে। তিনি আরো বলেন, সীমান্তে চোরাচালান ও অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে টেকনাফের উত্তর দিকে আরো একটি সীমান্ত প্রবেশ পথ স্থাপনের বিষয়ে মিয়ানমার পুলিশ ফোর্সকে অনুরোধ করা হয়েছে।
 
ইত্তেফাক/রাফাত