সংবিধানে স্বাক্ষর করে নির্বাচনের পথ সুগম করলেন থাই রাজা

থাইল্যান্ডের নতুন সংবিধানে স্বাক্ষর করেছেন রাজা মাহা ভাজিরালংকর্ন। নতুন সংবিধানে থাইল্যান্ডে গণতন্ত্রে ফেরার পথ সুগম হল, কিন্তু সামরিক বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকছে রাজনীতিতে। থাইল্যান্ডে ১৯৩২ সালে নিরঙ্কুশ রাজতন্ত্রের অবসান ঘটার পর এটি দেশটির ২০ তম সংবিধান। 
 
এতে করে থাইল্যান্ডে তিন বছরের জান্তা শাসনের পর নির্বাচনের পথ সুগম হল। আগামী বছরই এ নির্বাচন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০১৪ সালে থাইল্যান্ডে সামরিক অভ্যুত্থানের পর যে অন্তর্বর্তী সংবিধান ছিল তার স্থলেই নতুন এ সংবিধান সই করলেন রাজা। দেশব্যাপী এক টিভি সম্প্রচারে রাজা মাহা ভাজিরালংকর্ণকে সংবিধানে সই করতে দেখা গেছে।
 
রাজার পক্ষ থেকে এক কর্মকর্তা এখন থাই জনগণকে এক হয়ে নতুন সংবিধান মেনে চলা এবং দেশের গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব বজায় রাখতে সংবিধান রক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন। গত আগস্টে থাই জনগণ এক গণভোটে নতুন সংবিধানের রূপরেখা অনুমোদন করে। এরপর ভাজিরালঙকর্ণ থাইল্যান্ডের রাজা হওয়ার পর জানুয়ারিতে তিনি এ সংবিধানের কিছু সংশোধনীর প্রস্তাব দেন।
 
থাই প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ চান ওচা বলেছেন, এ সংশোধনীগুলো কেবল রাজার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। মানুষের অধিকারের ওপর এর কোনও প্রভাব পড়বে না। নতুন সংবিধানটি এখন রাজকীয় গেজেটে প্রকাশ পাওয়ার অপেক্ষায় আছে। গেজেটে প্রকাশ পাওয়ার পরই এটি জনগণকে দেখানো হবে এবং তখনই এটি আইনে পরিণত হবে। বিবিসি।
 
ইত্তেফাক/সাব্বির