সিলেটের আলোচিত 'আতিয়া মহলে' র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ৯টি বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে।
সেনাবাহিনী পরিচালিত অপারেশন 'টোয়াইলাইট' শেষ হওয়ার পরও ভবনটিতে প্রচুর বিস্ফোরক থাকার সম্ভাবনা থাকায় গত ৩এপ্রিল থেকে এ অভিযান শুরু করে র্যাব। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে এ সম্পর্কে উপস্থিত সংবাদকর্মীদের ব্রিফ করেন র্যাব-৯ এর কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল আলী হায়দার আজাদ আহমদ।
এসময় হায়দার আজাদ বলেন, 'শনিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আদেশে বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়করণ কার্যক্রম শুরুর পর থেকে ৯টি বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে। এছাড়াও ক্লিয়ারিং অভিযানের প্রথমদিনই মৃত দুই জঙ্গির দেহ উদ্ধার করে র্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল স্কোয়াড। বিস্ফোরক ছাড়াও বেশ কিছু রাসায়নিক পদার্থও পাওয়া গেছে, যা পরীক্ষার জন্য ল্যাব টেস্টে পাঠানো হয়েছে।'
আতিয়া মহল ক্লিয়ারিং এ আরো সময় লাগবে জানিয়ে র্যাব-৯ এর কমান্ডিং অফিসার এলাকাবাসীকে ধৈর্য ধরে সহযোগিতা করার অনুরোধ করেন। আতিয়া মহলে জঙ্গি আস্তানা রয়েছে নিশ্চিত হওয়ার পর ২৫মার্চ ভোররাত থেকে ঘেরাও করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরে ঐ দিন সন্ধ্যা থেকে অপারেশন 'টোয়াইলাইট' শুরু করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৭ পদাতিক ডিভিশনের কমান্ডো দল। চার দিনের এ অভিযান শেষে ২৮ মার্চ পুলিশের কাছে আতিয়া মহলের দায়ভার হস্তান্তর করে সেনাবাহিনী।