প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঐতিহাসিক ভারত সফরে শনিবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠকে ২২টি চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন। দুই দেশের সম্পর্ক আরো দৃঢ় করবে এমন পাঁচটি চুক্তি তুলে ধরা হল।
বাংলাদেশকে ৮ বিলিয়ন ডলার ঋণ দেবে ভারত: বাংলাদেশের উন্নয়ন খাতে ৪.৫ বিলিয়ন ডলারের রেয়াতি ঋণ দেবে ভারত। প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার জন্য আরো ৫০ কোটি ডলার ঋণ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে দেশটি। সব মিলিয়ে গত ৬ বছরে বাংলাদেশকে ৬ বিলিয়ন ডলার ঋণ দেয়ার ঘোষণা দিল ভারত।
পরিবহন সংযোগ স্থাপন: খুব শীঘ্রই ঢাকা-খুলনা-কলকাতা বাস সার্ভিস চালু করতে যাচ্ছে ভারত ও বাংলাদেশ। খুলনা থেকে বেনাপোল-পেট্রাপোল হয়ে কলকাতা যাওয়ার একটি যাত্রীবাহী ট্রেনও চূড়ান্ত করা হয়েছে। বিরল থেকে রাধিকাপুর পর্যন্ত মালবাহী রেললাইন স্থাপনের ঘোষণাও দেয়া হয়েছে।
পারমাণবিক চুক্তি: প্রতিরক্ষা খাতের বিভিন্ন পর্যায়ে সহযোগিতার জন্য তিনটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ ও ভারত। এছাড়া বেসামরিক পারমাণবিক পাওয়ার ইউনিট স্থাপনে সহায়তার জন্যও তিনটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
ডিজেল পাইপলাইন: পার্বতীপুর থেকে নুমালিগড় পর্যন্ত নির্মিতব্য একটি ডিজেল পাইপলাইনে অর্থায়নের চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ভারত। বাংলাদেশে হাই স্পিড ডিজেল সরবরাহের বিষয়ে ভারতীয় কোম্পানিগুলো চুক্তি স্বাক্ষর করবে।
শিক্ষা: সাংস্কৃতিক আদানপ্রদান ও সহযোগিতার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ভারতীয় কাউন্সিল অব সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এছাড়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও ভারতের জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়ার মধ্যে আরো একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।
ইত্তেফাক/সাব্বির