বিলাশবহুল পোরশে গাড়ির মালিক ইংল্যান্ড প্রবাসী

রাজধানীর হাতিরঝিলের মধুবাগ এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া চার কোটি টাকা মূল্যের বিলাসবহুল পোরশে গাড়িটির মালিক ফরিদা রশিদ নামে এক ইংল্যান্ড প্রবাসী।
 
তিনি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ইংল্যান্ডের নাগরিক। ২০১০ সালে ইংল্যান্ড থেকে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে গাড়িটি দেশে নিয়ে আসা হয়েছে। নির্ধারিত শুল্ক পরিশোধ সাপেক্ষে এর মূল্য প্রায় চার কোটি টাকা। ৩২ সিসি পোরশে কায়ানে ৯৫৫ মডেলের গাড়িটি ২০০৫ সালে তৈরি। 
 
IMG0
 
শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের উপ-পরিচালক শরীফ আল হাসান বলেন, কে বা কারা ফেলে গেছে তা জানা যায়নি। তা খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে। কারনেট সুবিধায় গাড়িটি আনা হয়েছিল। তবে রেজিস্ট্রেশন করা হয়নি। গ্যারেজ নম্বরে গাড়িটি চলছিল। পরিত্যক্ত পোরশে গাড়িটির কোন বৈধ মালিকানা ও কাগজপত্র না পাওয়ায় তা জব্দ করা হয়। ওই গাড়ির চাবি ভিতরে পাওয়া যায় এবং ড্রাইভারের সিটে একটি চিঠিও পাওয়া গেছে। সেই চিঠিতে নাম পরিচয় ছিল না।
 
শুধু লেখা রয়েছে, ‘আমি বিগত কয়েক বছর ধরে এই গাড়িটি ব্যবহার করছি। গাড়িটি আমার অনেক প্রিয় ও আবেগের। সম্প্রতি আমি জানতে পরি, এই গাড়িটিতে ট্যাক্স ফাঁকি দেয়া হয়েছে। আমি সমাজের সম্মানী ব্যক্তি আমাকে অনেকে এক নামে চিনে। মান সম্মানের কথা ভেবে আমি নিজের ইচ্ছায় গাড়িটি ফেলে রেখে গেলাম। দয়া করে আমাকে আপনারা খোঁজার চেষ্টা করবেন না।  দেশব্যাপী পরিচালিত আপনাদের অভিযানগুলো আমি প্রশংসা করছি। আমার অতি প্রিয় এই গাড়িতে ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে অন্যায় করলেও এটি জমা দেয়ার মাধ্যেমে আমি সেটির প্রায়শ্চিত্য করলাম।’ 
 
প্রসঙ্গত, সোমবার সকালে রাজধানীর হাতিরঝিলের রানার বিল্ডিংয়ের সামনের ব্রিজের ওপর পরিত্যক্ত অবস্থায় বিলাসবহুল পোরশে গাড়িটি উদ্ধার করে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর।