রাষ্ট্রপতি প্রাণভিক্ষার আবেদন নাকচ করা পর যে কোন সময় হুজি নেতা মুফতি হান্নানের ফাঁসি কার্যকর করা হতে পারে এমন সম্ভাবনার আলোকে গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার কমপ্লেক্স ও আশপাশের এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
এই কারাগারের ফাঁসির কনডেম সেলে বন্দি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হরকাতুল জিহাদের (হুজি) শীর্ষনেতা মুফতি আব্দুল হান্নান ও তার সহযোগী শরীফ শাহেদুল বিপুল বন্দি রয়েছেন।
মঙ্গলবার বিকেলে গাজীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ কাশিমপুর কারাগার ও আশপাশের এলাকা পরিদর্শন করেন।
এ সময় তিনি সাংবাদিকদের জানান, কারাগার ও আশপাশের এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। পোশাকে-সাদা পোশাকে পুলিশ তাদের দায়িত্ব পালন করছে।
তিনি বলেন, টঙ্গী, কোনাবাড়ি, কাশিমপুরসহ গাজীপুরের প্রতিটি জায়গায় আমরা অভিযান পরিচালনা করছি। ফাঁসির রায় কার্যকর করাকে কেন্দ্র করে গাজীপুরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে অভিযান চালানো হচ্ছে।
এদিকে জঙ্গিনেতা মুফতি আব্দুল হান্নান ও তার সহযোগী শরীফ সাহেদুল বিপুল এর আত্মীয় স্বজনদেরকে কারাগারে এসে শেষ দেখা করার জন্য কারা কর্তৃপক্ষ বার্তা পাঠানোর পরও মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কেউ তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসেননি।
অন্যদিকে আমাদের গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া সংবাদদাতা জানান, কারা কর্তৃপক্ষের চিঠি অনুযায়ী মুফতি হান্নানের পরিবারের সিদ্ধান্ত মোতাবেক বড় ভাই আলিউজ্জামান মুন্সী, স্ত্রী জাকিয়া পারভীন রুমা এবং বড় মেয়ে নিশি খানম মঙ্গলবার রাতেই কাশিমপুর কারাগারের উদ্দেশ্যে রওনা হচ্ছেন। মুফতি হান্নানের ছোট ভাই মতিয়ার মুন্সী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ইত্তেফাক/ইউবি