‘যৌতুক ও মারধরের অভিযোগে স্ত্রীর মামলায় স্বামী গ্রেফতার’-শীর্ষক খবরের প্রতিবাদ

গত ২৪ মার্চ দৈনিক ইত্তেফাকের অনলাইনে ‘যৌতুক ও মারধরের অভিযোগে স্ত্রীর মামলায় স্বামী গ্রেফতার’-শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইমরোজ হোসেন জিহাদ। তিনি প্রতিবাদ লিপিতে বলেছেন, যৌতুকের দাবিতে মারধর, পরকীয়া এবং প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ের অভিযোগ সম্পুর্ন মিথ্যা। মূলত আমার সাথে ঘটে চলা ঘটনাকে উল্টো করে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে ।প্রতিবাদ লিপিতে জিহাদ বলেন, ২০১৩ সালের ২৮ জুন ২৫ লক্ষ টাকা দেনমোহর (উসুল) এর বিনিময়ে ইন্দিরা রোডের বাসা নং ৫২/এ এর মরহুম আমিরুল ইসলামের কন্যা মাহবুবা ইসলাম অনামিকার সাথে পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়। শুরুতে কিছুদিন ভাল চললেও একটা সময় বনিবনা হচ্ছিল না।নিয়মিত ঝগড়া করতো। তার উন্মত্ত আচরন বেপরোয়া জীবন যাপন উচ্ছৃংখলতা আমার পরিবারকে বিষিয়ে তোলে। আমার দেয়া মূল্যবান গিফটগুলো নিয়ে নিয়মিত বাবার বাড়িতে রেখে আসাসহ প্রায়ই আমাকে না জানিয়ে দেশের বাইরে বয়ফ্রেন্ডদের নিয়ে সে বেড়াতে যেতো।রাতভর নেশা করে পার্টি করত। তার উচ্ছৃঙ্খল জীবন যাপনে অতীষ্ট হয়ে এক পর্যায়ে এ ব্যাপারে পারিবারিক ভাবে বসে আপোষ মীমাংসার আহ্বানকে গ্রহণ না করে অনামিকা গত বছরের ১৫ জুলাই আদালতে মামলা ঠুকে দেন। 

পরে পুলিশ ব্যুরো অব ইন্ভেস্টিগেশন-পিবিআই এর অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে সেদিন সে ৭টা লাগেজ ভর্তি জিনিষপত্র নিয়ে বাবার বাড়ি চলে যায়। যা বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজে স্পষ্টভাবে দেখা গেছে।

এদিকে একের পর এক মিথ্যে মামলা দিয়ে হয়রানি করে আমাদের মান সম্মান যেমন নষ্ট করছেন অনামিকা, তেমনি বিভিন্ন সন্ত্রাসীদের দিয়ে নানা ধরনের হুমকি ধামকি দিয়ে প্রচন্ড মানসিক টর্চার করে চলেছেন আমাদেরকে।

জিহাদ বলেন, আমি আইনগতভাবে গত বছরের ১১ মার্চ অনামিকাকে তালাক প্রদান করেছি যা সিটি করপোরেশনের শালিশী আদালতের মাধ্যমে গত বছরের ২১ জুলাই কার্যকর হয়েছে।এরপর দ্বিতীয় বিয়ে করে স্ত্রীকে নিয়ে সুখে শান্তিতে বসবাস করছি।আমার বর্তমান স্ত্রী- যিনি আমার অনাগত সন্তানের মা হতে চলেছে,তাকেও এখন মানসিকভাবে টর্চার করছে অনামিকা। যদি আমার এই অনাগত সন্তান ও স্ত্রীর কোনো ক্ষতি হয় তাহলে এর দায়ভার কে নেবে? আজকে আমরা বাসা থেকে বেরোতে ভয় পাই, ঘরে ঘুমুতেও ভয় পাই। প্রতিটা মুহুর্ত একটা অজানা আতঙ্কে ভুগতে হচ্ছে আমাদের।