আগামী দিনে গণতন্ত্র পুনঃরুদ্ধারের আন্দোলনে নবগঠিত ঢাকা মহানগর বিএনপির ‘তারুণ্যনির্ভর’ দুই কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং তারা সফল হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, এই দুই কমিটি আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করবে।
বুধবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মহানগর বিএনপির দুই কমিটির নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ফখরুল এই আশার কথা বলেন।
মঙ্গলবার গভীর রাতে ঢাকা মহানগরকে উত্তর ও দক্ষিণে দুই ভাগ করে নতুন কমিটি ঘোষণা করে বিএনপি। দক্ষিণের সভাপতি করা হয়েছে হাবিব-উন-নবী খান সোহেল। ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক এই সভাপতি অবিভক্ত ঢাকা মহানগরীর কমিটির সদস্য সচিব ছিলেন। ৭০ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে কাজী আবুল বাশারকে। উত্তরের সভাপতি করা হয়েছে আব্দুল কাইয়ুম। ৬৬ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটির সাধারণ সম্পাদক আহসান উল্লাহ হাসান।
মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ঢাকা মহানগর বিএনপির কমিটি হওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। নেত্রীর (খালেদা জিয়া) তত্ত্বাবধানে একটি সত্যিকার অর্থে ভালো কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। সেই কমিটিতে পরীক্ষিত সৈনিকদের স্থান দেয়া হয়েছে। কমিটির অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তরুণদের অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, যে সমস্ত পদ এখনো শূন্য আছে সেখানেও কাউকে নেয়ার সুযোগ থাকবে। আগামী এক মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করার সময় বেধে দেয়া হয়েছে। আশা করি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে পারবেন।
ফখরুল বলেন, সরকার একটি নীলনকশা নিয়ে এগুচ্ছে, নীলনকশার ষড়যন্ত্র চলছে কাজ করতে না দেয়ার জন্য।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র মনিরুল হক সাক্কুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ও সম্পদ বাজেয়াপ্তের নিন্দা জানিয়ে ফখরুল বলেন, এই সরকার জনপ্রতিনিধিদের সম্মান দিচ্ছে না, কাজ করতেও দিচ্ছে না। একটি কথা খুব স্পষ্ট-এসব কিছু বেশিদিন চলতে পারে না। গ্রেপ্তার করুক আর যাই করুক নির্বাচনটা এখন জরুরি। এবং সেই নির্বাচন হতে হবে একটি নিরপেক্ষ সরকার ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের অধীনে।
ইত্তেফাক/ইউবি