গর্ভধারণ অবহেলা যেন অক্ষমতা না হয়

 

বর্তমানে অনেক দম্পতি সন্তান চেয়েও সঠিক সময়ে সন্তান জন্ম দিতে পারছে না। দিনে দিনে বন্ধ্যত্বের হতাশা বেড়েই চলেছে। বিভিন্ন সূত্র থেকে খোঁজ নিয়ে বন্ধ্যত্ব সম্পর্কে জানাচ্ছেন— নাছিমা খাতুন

ব ন্ধ্যত্বের কারণ ও চিকিত্সা সম্পর্কে জানতে হলে প্রথমেই জানতে হবে বন্ধ্যাত্ব কি। সন্তান ধারণের অক্ষমতাকে বন্ধ্যত্ব বলা হয়। কোনো ধরনের জন্ম নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণ না করে, সাধারণত এক বছর পর্যন্ত কোনো দম্পতি সন্তান ধারণে ব্যর্থ হলে, সে অবস্থাকে বন্ধ্যত্ব বলে চিহ্নিত করা হয়। মহিলা ও পুরুষের যেকোনো একজন বা উভয়ই বন্ধ্যত্বের জন্য দায়ী হতে পারে। মহিলাদের মধ্যে বন্ধ্যত্বের কারণ নির্ণয় করা খুবই জটিল। তবে এ সমস্যার জন্য বিভিন্ন চিকিত্সার ব্যবস্থা রয়েছে যা এ রোগের মূল কারণের উপর নির্ভরশীল। সবসময় বন্ধ্যত্বের জন্য চিকিত্সার প্রয়োজন হয় না। অনেক দম্পতিই কোনো ধরনের চিকিত্সা ছাড়াই এ সমস্যা থেকে মুক্তি পায় ও স্বাভাবিক নিয়মে সন্তান ধারণ করতে পারে। ধূমপান ও অ্যালকোহলের ব্যবহার, যৌনরোগ, স্বাভাবিকের তুলনায় ওজন খুব বেশি বা কম হলে, বিভিন্ন অজানা কারণে মহিলাদের গর্ভধারণ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে গেলে, সময়ের আগে ডিম্বাশয়ের পতন হলে, পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম, অনিয়মিত মাসিক, ইউটেরিয়ান ফাইব্রয়েড, ভ্যারিকোসিল অফ দা টেস্টিকালস্, ওভারিয়ান সিস্ট এবং এন্ডোমেট্রিওসিস এর কারণে একজন নারীর বন্ধ্যত্ব হতে পারে। একজন নারী  প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যায়াম, মেদবৃদ্ধি ও স্থূলতা প্রতিরোধ করতে হবে, ক্যাফেইনযুক্ত দ্রব্যের ব্যবহার সীমিত করা, ধূমপান ত্যাগ করা এবং মাদক ও অ্যালকোহল এড়িয়ে চলার মাধ্যমে বন্ধ্যত্ব প্রতিরোধ বা দূর করার চেষ্টা করতে পারেন।