গ্রীন লাইন ও কার্গো উদ্ধারে ব্যর্থ 'নির্ভীক'

 
কীর্তনখোলা নদীতে দুর্ঘটনা কবলিত কয়লাবাহী কার্গো ও যাত্রীবাহী গ্রীন লাইন ওয়াটার ওয়েজটি উদ্ধারে ব্যর্থ হয়েছে বিআইডব্লিউটি'র সর্ব বৃহৎ উদ্ধারকারী জলযান 'নির্ভীক'।
 
শনিবার বিকাল চার টায় দুর্ঘটনার পর সন্ধ্যায় অকুস্থলে পৌঁছায় উদ্ধারকারী নৌ-যান নির্ভীক। রাতেই আংশিক নিমজ্জিত গ্রীন লাইন-২ ওয়াটার ওয়েজটি উদ্ধারের কাজ শুরু করে ঝড়ো আবহাওয়ার কারণে তা বন্ধ রাখা হয়। পরবর্তীতে রবিবার সকালে উদ্ধার কাজ শুরু করলেও উদ্ধারকারী জাহাজের ক্ষমতার তুলনায় গ্রীন লাইনের ওজন বেশি হওয়ায় ব্যর্থ হয় নির্ভীক। পরে উদ্ধার কাজ বন্ধ করা হয়।
 
পানির নিচে থাকা কয়লাবাহী কার্গো মাসুদ-মামুন -১ শনাক্ত করা হলেও এটা উদ্ধার করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন বিআইডব্লিউটিএ'র কর্মকর্তারা।
 
বরিশাল বিআইডব্লিউটিএ'র নৌ সংরক্ষণ ও পরিচালনা বিভাগের উপ পরিচালক ও নির্ভীকের কমান্ডার মো. রফিকুল ইসলাম ইত্তেফাককে জানিয়েছেন, 'নির্ভীকের উদ্ধার ক্ষমতা আড়াইশ টন। গ্রীন লাইন ওয়াটার ওয়েজের ওজন ৬৪৫টন ও কয়লাবাহী কার্গোটি’র ওজন প্রায় এক হাজার টন। তাই দুর্ঘটনা কবলিত নৌ-যান দু'টি বিআইডব্লিউটিএ'র পক্ষে উদ্ধার করা সম্ভব নয়।'
 
শনিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে কীর্তনখোলা নদীর চরবাড়িয়া পয়েন্টে যাত্রীবাহী গ্রীন লাইন-২ ওয়াটার ওয়েজের সাথে মাসুদ-মামুন ১ নামে একটি কয়লাবাহী কার্গোর সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই কার্গোটি ডুবে যায় এবং গ্রীন লাইন ওয়াটার ওয়েজটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে নদীতে আংশিক ডুবে যায়। এতে ওই ওয়াটার ওয়েজের প্রায় চারশ' যাত্রী প্রাণে রক্ষা পায়।
 
ইত্তেফাক/জামান