নগর গোয়েন্দা পুলিশের একজন পরিদর্শকসহ আট সদস্যের বিরুদ্ধে চাঁদা আদায়ের দাবি তুলে মামলা করেছেন মঈন উদ্দিন নামের একজন ব্যবসায়ী। সোমবার চট্টগ্রামের ২য় মহানগর হাকিম আবু ছালেহ মো. নোমানের আদালতে মামলাটি হয়েছে।
আদালত সূত্র জানায়, মামলাটি আমলে নিয়ে এ ব্যাপারে বিস্তারিত তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) আদালত থেকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সহকারী পুলিশ সুপার বা তদুর্ধ্ব একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দিয়ে এই তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। মামলার অভিযুক্ত ডিবি সদস্যরা হলেন- ইন্সপেক্টর কেশব চক্রবর্তী, সাব-ইন্সপেক্টর মো. সেকান্দর আলী, দেলোয়ার হোসেন, এএসআই আজহারুল ইসলাম, আবদুল ওয়াদুদ, কনস্টেবল আরমান হোসেন, খোরশেদ আলম ও উকিল আহমেদ।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, ব্যবসায়ী মঈন উদ্দিন আইনজীবীদের এনেক্স-১ ভবনের নিচতলায় একটি কম্পিউটার দোকান পরিচালনা করেন। পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের সূত্র ধরে ডিবি পুলিশের সদস্যরা গত বছর ২১ ডিসেম্বর মঈন উদ্দিনকে তার দোকান থেকে তুলে নিয়ে যায় এবং তার কাছ থেকে ২ লাখ টাকা উৎকোচ দাবি করে। এই টাকা দিতে নারাজ হলে তার বিরুদ্ধে ডিবি পুলিশেরা মামলা দায়ের করে। গত ১৬ মার্চ ব্যবসায়ী মঈন উদ্দিন জামিনে মুক্তি পেয়ে ওই ডিবি পুলিশদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন।
জানা যায়, গত বছর মঈন উদ্দিনকে গ্রেফতার প্রসঙ্গে মহানগর ডিবি পুলিশের পক্ষ থেকে জাল স্টাম্পসহ এক ব্যক্তিকে আটকের কথা বলা হয়। কিন্তু মঈন উদ্দিনের মামলায় বিষয়টিকে চাঁদাবাজি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।