কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ধ্বসে যাচ্ছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাটি। ভেঙে যাচ্ছে ঘরগুলো। বসবাসের অনুপযোগী হওয়ায় ইতোমধ্যে অন্যত্র গেছে ৩৭ পরিবার।
২০১১-১২ অর্থবছরে নির্মিত উপজেলার নুনখাওয়া চরকাপনা আজগার-জলিল আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পে বসবাস করে একশত পরিবার। গত বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় এ আশ্রয়ণ প্রকল্প। ভেঙে গেছে এখানে যাওয়ার একমাত্র রাস্তা। বন্যার পানির তীব্র স্রোতে সরে গেছে আবাসনের নিচের বালু মাটি। দীর্ঘদিনে সেখানে নতুন করে মাটি ভরাট না করায় ঘরের মেঝের মাটি ধ্বসে গিয়ে ভেঙ্গে যাচ্ছে ঘরগুলো।
বসবাসের অনুপযোগী হওয়ায় ইতোমধ্যে পরিবার নিয়ে অন্যত্র গেছেন রাহেনা বেওয়া, দুলালী বেগম, শাহিদা খাতুন, হেলালী খাতুন, মল্লিকা পারভীন, মৌসুমী খাতুন, গোলাপী খাতুন, করিমন বেওয়া, মনোয়ারা খাতুন, আরিফা খাতুন, রহিমা খাতুন, আমেনা খাতুন, জয়নব, মোছলেমা পারভীনসহ ৩৭ পরিবার। এখনো সেখানে বসবাস করছে উপায়হীন ৬৩ পরিবার।
সরেজমিন গেলে আলেয়া, চানবানু, তারা বানু, রহিলা বেগম, ফাতেমা বেগম, ইউনুছ আলী, ইউসুফ আলী, সুমন মিয়া, মোসলেমা খাতুন, রহিমা বেগম, আলেয়া খাতুন ও সজিরনসহ অনেক পরিবার প্রধান জানান তাদের দুরাবস্থার কথা। তারা জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর এখনও প্রতিদিন ঝড়-বাতাসে সরে যাচ্ছে আশ্রয়ণসহ তাদের ঘরের নিচের বালু মাটি।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আকরাম হোসেন জানান, সংশ্লিষ্ট দপ্তরে এ বিষয়ে জানানো হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু হায়াত মো. রহমতুল্লাহ জানান, গত বন্যায় নুনখাওয়া চরকাপনা আজগার-জলিল আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পসহ বেশকিছু আশ্রয়ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে সংস্কার করা হবে।