ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আটঘর ইউপির চেয়ারম্যান ও তার সমর্থকদের বাড়ি হামলা চালিয়ে প্রতিপক্ষ। এ সময় প্রতিপক্ষের হামলায় জিয়া শেখ (৩০) নামে একজন নিহত ও আহত ২৫ হয়েছেন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হামলাকারীরা বেশ কয়েকটি বাড়ি ভাঙচুর করেছে বলে জানা গেছে। হামলার খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশ ও ফরিদপুর জেলা পুলিশের সদস্যরা গিয়ে লাঠি চার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
জানা গেছে, এলাকার প্রভাব বিস্তার নিয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জের ধরেই এ হামলার ঘটনা ঘটে।
উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন-সম্পাদক ও আটঘর ইউপির চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম খান সোহাগ জানান, রবিবার ভোরে পিকুল খা, নেশান খান, রইচ খা, ফারুক শেখ, কাউছার মাতুব্বর, কাদের মোল্লাসহ প্রতিপক্ষের কয়েকশ লোক অতর্কিতভাবে আমার ও আমাদের সমর্থকদের বাড়ি দেশী অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে হামলা করে। এ সময় প্রতিপক্ষের কোপের আঘাতে জিয়া নিহত হন। জিয়া আটঘর ইউনিয়নের গোয়ালপাড়া এলাকার শাহাযোদ্দী শেখের ছেলে।
তিনি বলেন, হামলায় জাহাঙ্গীর হোসেন, মোতালেব মোল্লা, মোশারফ, মহাসিনসহ কমপক্ষে ২৫ জন আহত হয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা সুজন মাতুব্বর, আবজালর, লিয়াকত হোসেন খানেরসহ বেশ কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুর ও লুট পাট চালায়।
ফরিদপুরের পুলিশ সুপার সুভাষ চন্দ্র সাহা জানিয়েছেন, সালথায় প্রতিপক্ষের হামলায় জিয়া শেখ নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। আহত হন ২০-২৫ জন। হামলাকারীরা বেশ কয়েকটি বাড়ীতে ভাঙচুর করেছে বলে জানান তিনি। তবে পরিস্থিতি এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
ইত্তেফাক/কেকে