চেচনিয়ায় সমকামীদের নির্যাতন: পুতিনের হস্তক্ষেপ চাইলেন মার্কেল

চেচনিয়ায় সমকামীদের অধিকার সুরক্ষা নিশ্চিতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সহয়তা কামনা করেছে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেল। 
 
সমকামী অধিকারকর্মীরা বলছে, সমকামী বিরোধী অভিযান চলাকালীন সময়ে রাশিয়াজুরে পুলিশ কয়েকডজন মানুষকে গ্রেফতার ও নির্যাতন করেছে।
 
২০১৫ সালের পর প্রথম রাশিয়া সফরেই মার্কেল বিষয়টি সামনে নিয়ে এসেছেন। পুতিনের গৃষ্মকালীন অবকাশকেন্দ্র সোসিতে দুই নেতৃবৃন্দ বৈঠকে মিলিত হন।
 
ইউক্রেন থেকে রাশিয়ার ক্রিমিয়া দখল ও সিরিয়া ইস্যুতে রাশিয়া ও জার্মিন মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বেশ তিক্ত হয়ে উঠেছিল।
 
সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ ও ইউক্রেন সমস্যাটিও দুই শীর্ষ নেতার আলোচনায় উঠে আসে।
 
আগামি বুধবার পুতিনের সঙ্গে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানেরও বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
 
চেচনিয়ায় সমকামী বিদ্বেষ দেখা দেয় মূলত পুতিনের আস্থাভাজন স্বৈরশাসক রামাজান ক্যাদইরভ নিয়ন্ত্রণাধীন মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাতে।
IMG0
গতমাসে রাশিয়ার এলজিবিটি নেটওয়ার্কের নাটালিয়া পোপলেভাস্কাইয়া বলেন যে, সমকামী ব্যক্তিদের আটকে চেচনিয়াতে একটি পরিকল্পিত প্রচারণা চালানো হয়েছিল। 
 
তিনি বলেন, যারা সমকামী কিংবা সমকামী হিসেবে বিবেচিত হয়েছে তাদেরকে গ্রেফতার করে আর্গূনের একটি ডিটেশন সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। যেটা গ্রোজনি থেকে ১৩ মাইল দূরে অবস্থিত। সেখানে বন্দীদের উপর নির্যাতন চালানো হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করে। নির্যাতনে তিনজনের মৃত্যুর খবর জানিয়ে বিবিসিকে তিনি বলেন, আটকৃতদের অত্যাচারে ইলেকট্রিক শক, চাবুক দিয়ে পেটানোসহ নানা পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে। যেসব মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে তারা সমকামী কিংবা সমকামী হিসেবে বিবেচিত।
 
চেচনিয়ার সরকার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। দেশটির সরকারের মুখপাত্র আলভি কারিমভ বলেন, যে দেশে এ ধরনের কোন মানুষই নেই তাহলে আপনি তাদের কিভাবে আটক কিংবা নির্যাতন চালাতে পারেন। বিবিসি।
 
ইত্তেফাক/রেজা