স্বেচ্ছাশ্রম ও গ্রামবাসীর অর্থায়নে নির্মিত হচ্ছে সুতিয়া ব্রিজ

সুতিয়া নদীর ওপর স্থানীয়রা অর্থায়নে ও  স্বেচ্ছাশ্রমে পাকা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। স্থানীয়দেরকে যাতায়াতের জন্য দীর্ঘদিন ধরে ওই নদীতে বাঁশের সাঁকো ব্যবহার করে আসছিল। জানা যায়, উপজেলার বইলর ইউনিয়নের বাঁশকুড়ি ও ধানীখোলা ইউনিয়নের দক্ষিণ ভাটিপাড়া গ্রামের দু’পাড়ের বাসিন্দারা মিলে সুতিয়া নদীর ওপর পাকা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। স্থানীয়রা জানান, নদী পারাপারের জন্য ওই স্থানে কোনো সেতু না থাকায় উপজেলা সদরে যাওয়া-আসা করতে তাদের তিন কিলোমিটার পথ ঘুরে যেতে হয়। সময় আর অর্থ ব্যয় থেকে বাঁচতে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দেরকে হাট-বাজারে যাতায়াতের জন্য দীর্ঘদিন ধরে বাঁশের সাঁকো ব্যবহার করে আসছিল। বর্তমানে ওই সাঁকোটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়লে তিন কিলোমিটার ঘুরে উপজেলা সদর ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে হয়  গ্রামবাসীকে।

ত্রিশাল মহিলা ডিগ্রি কলেজ, নজরুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, কারিগরি ও বাণিজ্যিক কলেজ, ইসলামী একাডেমি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, আব্বাছিয়া ফাজিল মাদ্রাসা ও উজানপাড়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসাসহ বেশিরভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বাঁশকুড়ি গ্রামের পাশ ঘেঁষে বয়ে যাওয়া সুতিয়া নদীর অপর পাড়ে। এছাড়া সেতুটি নির্মাণ হলে ধানীখোলা দক্ষিণ ভাটিপাড়াসহ আশেপাশের গ্রামের মানুষগুলোও অল্প সময়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যেতে পারবে।

এ সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য সুতিয়া নদীর উপর ২৫০ ফিট দৈর্ঘ্য ও ৭ ফিট প্রস্থ পাকা সেতু নির্মাণের জন্য এলাকার স্বাবলম্বীদের কাছ থেকে ও নিজেদের অর্থ দিয়ে  স্বেচ্ছাশ্রমে ব্যস্ত দু’পাড়ের বাসিন্দারা। ইতোমধ্যেই তিন লক্ষাধিক টাকা খরচ হয়েছে নির্মাণ কাজে। ওই এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, অনেক গ্রামবাসী মিলে স্বেচ্ছাশ্রমে ও অর্থ দিয়ে সেতুটির নির্মাণ কাজে সহযোগিতা করছেন।

ইত্তেফাক/নূহু