বেওয়ারিশ হিসেবে জঙ্গি মারজান ও সাদ্দামের দাফন

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত গুলশান হামলার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড জঙ্গি নূরুল ইসলাম ওরফে মারজান ও সাদ্দাম হোসেনের মরদেহ বেওয়ারিশ হিসেবে আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের কাছে  রবিবার হস্তান্তর করে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট।
 
গত পাঁচ মাসে মারজানের মরদেহ নেয়ার জন্য কেউ আবেদন না করায় মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে মরদেহটি ঢামেকের মর্গে ছিল। মারজানের সঙ্গে আরেক নিহত জঙ্গি সাদ্দামের মরদেহটিও হস্তান্তর করা হয়েছে।
 
আঞ্জুমানের ডিউটি অফিসার মাহমুদুল হাসান মরদেহ গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আমরা অজ্ঞাত হিসেবে দুটি মরদেহ পেয়েছি। এগুলো জুরাইন কবরস্থানে দাফন করা হয়।
 
এর আগে, গত ৫ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধ এলাকায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’নব্য জেএমবির অন্যতম শীর্ষ নেতা মারজান এবং তার সহযোগী সাদ্দাম নিহত হন।
 
মারজান নব্য জেএমবির অপারেশন কমান্ডার ছিলেন। তার বাড়ি পাবনা সদর উপজেলার হেমায়েতপুর ইউনিয়নের আফুরিয়া গ্রামের। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের ছাত্র ছিলেন। ২০১৬ সালে জানুয়ারিতে বাড়ি গিয়ে বিয়ে করে বাড়িছাড়া হন তিনি। সেই থেকে পরিবারের সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ নেই।
 
উল্লেখ, গত বছরের ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে যত সন্দেহভাজন জঙ্গি মারা গেছে তাদের সবাই সমাহিত হয়েছেন বেওয়ারিশ হিসেবে। কারণ তারা জঙ্গি তৎপরতায় জড়িয়েছেন জানতে পেরে স্বজনরা কেউ মরদেহ নিতে রাজি হননি।
 
ইত্তেফাক/ইউবি