আইসিসি ইভেন্টে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বি ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের রেকর্ড মোটেই ভাল নয়। কিন্তু চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে পার্শ্ববর্তী দেশটির বিপক্ষে জয় আছে পাকিস্তানের। তাই আগামী ১ জুন থেকে ইংল্যান্ডে শুরু হওয়া আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারতকে আবারো পাকিস্তান হারাবে বলে মনে করেন দেশটির সাবেক অধিনায়ক শহিদ আফ্রিদি। তিনি বলেন, ‘একমাত্র চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেই আমরা ভারতকে হারাতে পেরেছি। আসন্ন টুর্নামেন্টেও পাকিস্তানের বর্তমান দলটি ভারতকে হারাতে পারবে।’
ইংল্যান্ড এন্ড ওয়েলসে বসছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির অষ্টম আসর। আসন্ন আসরের ‘এ’ গ্রুপে রয়েছে বাংলাদেশ, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। আর ‘বি’ গ্রুপে রয়েছে ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা ও দক্ষিণ আফ্রিকা।
গ্রুপ পর্বে ৪ মে বার্মিংহামে মুখোমুখি হবে ভারত ও পাকিস্তান। এ ম্যাচের মাধ্যমে ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারির পর আবারো ওয়ানডে ফরম্যাটে ক্রিকেট বিশ্বের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর লড়াই দেখার সুযোগ পাচ্ছে ক্রিকেট ভক্তরা।
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ছাড়া আইসিসির কোন ইভেন্টে ভারতকে হারাতে পারেনি পাকিস্তান। আইসিসির ইভেন্টের মধ্যে একমাত্র চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেই ভারতকে হারানোর স্বাদ পেয়েছে পাকিস্তান। তাই আবারো ঐ সুখস্মৃতির পুনরাবৃত্তি দেখছেন আফ্রিদি, ‘আইসিসির কোন ইভেন্টের মধ্যে একমাত্র চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারতের বিপক্ষে আমাদের সাফল্য রয়েছে। ২০০৪ সালে এজবাস্টনে এবং ২০০৯ সালে সেঞ্চুরিয়ানে আমরা ভারতকে হারিয়েছিলাম। আমি আশা করছি, আসন্ন ম্যাচেও পাকিস্তানের বর্তমান দলটি ভারতকে হারাতে সক্ষম হবে।’
তার মতে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে পাকিস্তানের বর্তমান দলটি বেশ ভারসাম্যপূর্ণ। বরাবরের মত এবারও পাকিস্তানের প্রধান শক্তি বোলিং। তাই বোলিং দিয়েই পাকিস্তানের ভারত বধের পরিকল্পনা করা উচিত বলে জানান আফ্রিদি, ‘ভারতের শক্তি ব্যাটিং। আর পাকিস্তানের শক্তি বোলিং। তবে তাদের চেয়ে অনেক বেশি এগিয়ে পাকিস্তান। ইংল্যান্ডের কন্ডিশনে ভারতের ব্যাটিং লাইন-আপকে সমস্যায় ফেলার সামর্থ্য পাকিস্তান বোলারদের রয়েছে। এছাড়া ব্যাটিং-ও ভালো জানে পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানরা। বড় ইনিংস খেলার যোগ্যতা রয়েছে তাদের।’
২০০৭ সালে সর্বশেষ টেস্ট, ২০১৫ বিশ্বকাপে সর্বশেষ ওয়ানডে ও ২০১৬ সালে বিশ্বকাপে সর্বশেষ টি-২০ ম্যাচে মুখোমুখি হয় ভারত-পাকিস্তান।
ইত্তেফাক/এএম।