তামাকজনিত ক্ষতি মোকাবেলায় তামাকের ওপর কর বাড়ানোর দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেছেন, বাংলাদেশে তামাকের উপর শুল্ক-কাঠামো অত্যন্ত জটিল এবং তা আদায় হয় মূল্যের শতাংশ হারে যা অতিরিক্ত জটিলতা তৈরি করে। এতে কর ফাঁকির সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে।
সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘কেমন তামাক কর চাই’ শীর্ষক প্রাক-বাজেট সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা এ কথা বলেন।
প্রজ্ঞা ও এন্টি টোব্যাকো মিডিয়া এলায়েন্স-আত্মা’র উদ্যোগে তামাকবিরোধী সংগঠন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন, এসোসিয়েশন ফর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট (এসিডি), ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল একশন (ইপসা) এবং তামাকবিরোধী নারী জোট (তাবিনাজ) সম্মিলিতভাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
সংবাদ সম্মেলনে পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) চেয়ারম্যান বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ বলেন, সিগারেটের বহুস্তর বিশিষ্ট কর কাঠামো কর ফাঁকির অন্যতম উৎস। আমাদের ধীরে ধীরে একক কর কাঠামোর দিকে যেতে হবে।
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাতা জাতীয় অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার (অব:) আব্দুল মালিক বলেন, তামাকজনিত ক্ষতি মোকাবিলায় আমাদের তামাকের ওপর কর বাড়ানো দরকার।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এর সাবেক সদস্য (ট্যাক্স পলিসি) মো. আমিনুর রহমান বলেন, বাংলাদেশে সিগারেট চোরাচালান বিষয়টি অমূলক। আশা করি, এনবিআর এই অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে চোরাচালানকৃত সিগারেট প্রতিরোধ সপ্তাহ পালনের উদ্যোগ থেকে সরে দাঁড়াবে।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে তামাকের উপর শুল্ক-কাঠামো অত্যন্ত জটিল এবং তা আদায় হয় অর্থাৎ মূল্যের শতাংশ হারে যা অতিরিক্ত জটিলতা তৈরি করে এবং কর ফাঁকির সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে। আগামী ২০১৭-১৮ বাজেটে সকল তামাকজাত পণ্যের প্যাকেট বা কৌটা প্রতি সুনির্দিষ্ট (স্পেসিফিক) কর আরোপের দাবি জানানো হয়।
ইত্তেফাক/পাভেল