আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের ছবি নিয়ে এক দিনের বিশেষ প্রদর্শনী বসেছিল মসজিদ প্রাঙ্গণে। উত্তরার বাইতুর রউফ মসজিদ প্রাঙ্গণে এই অভিনব আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। যা স্থানীয়দের মাঝে বেশ সাড়া ফেলে। ‘অন্যকে আলিঙ্গন’ শিরোনামে এই প্রদর্শনীর আয়োজক দৃক পিকচার লাইব্রেরি।
স্থপতি মেরিনা তাবাসসুমের নকশায় নির্মিত এ মসজিদের স্থাপত্যশৈলী ২০১৬ সালে ‘আগা খান অ্যাওয়ার্ড ফর আর্কিটেকচার’ পুরস্কার লাভ করে। এই প্রদর্শনীর মূল লক্ষ্য ইসলাম ধর্ম যে আতঙ্কের নয় বরং উদারতা, মানবতা ও হূদ্যতার প্রতীক সেই বার্তা সকলের মাঝে তুলে ধরা।
মসজিদ মুসলমানদের জন্য একটি প্রার্থনার জায়গার পাশাপাশি অনেক সময় সামাজিক কেন্দ্র হিসেবেও বিভিন্ন সমাজে গড়ে উঠতে দেখা গেছে। নামাজ পড়ার পাশাপাশি মসজিদকেন্দ্রিক মানুষের নানা সামাজিক এবং দাতব্য কর্মকাণ্ড রিচালিত হয়। পৃথিবী জুড়ে ইসলামের নামে যে উগ্রবাদ সৃষ্টি হয়েছে সেটিকে মোকাবিলার জন্য মসজিদকেন্দ্রিক সামাজিক কর্মকাণ্ড জরুরি। সেই লক্ষ্য থেকেই এ প্রদর্শনীর আয়োজন।
গতকাল সোমবার সকালে এ প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইব্রাহিম, বাইতুর রউফ মসজিদের ইমাম দ্বীন ইসলাম ও প্রদর্শনীর আলোকচিত্রী শহিদুল আলম বক্তব্য রাখেন।
শহিদুল আলম বলেন, সার্বিকভাবে আমরা দুটো দিক থেকে আক্রান্ত হচ্ছি। একটা হচ্ছে, আন্তর্জাতিকভাবে ইসলাম বিদ্বেষ। যেটার ভিত্তিতে সারা পৃথিবীতে আগ্রাসন চলছে এবং সে আগ্রাসনটা একতরফা। আরেকটি হচ্ছে জঙ্গিবাদ, যেটার সম্মুখীন হচ্ছে বাংলাদেশ। এ দুটোর ক্ষেত্রেই ইসলামকে ব্যবহার করা হচ্ছে। যারা ইসলামবিদ্বেষী তারা এবং অন্যদিকে যারা জঙ্গি তত্পরতার সঙ্গে জড়িত তারাও ইসলামকে ব্যবহার করছে।
ইত্তেফাক/নূহু