মধুখালীতে প্রতিমা ভাংচুর

মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ভাটি গোপালদী কর্মকার পাড়া বটতলা রক্ষাচণ্ডি কালী মন্দিরের রক্ষিত রক্ষাচণ্ডি প্রতীমাসহ অপর দুটি প্রতীমা ভাংচুর এবং মন্দিরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটিয়েছে দুবৃত্তরা। 
 
সরেজমিনে পরিদশনকালে জানা যায়, শতবর্ষের পুরনো এ মন্দিরে এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকেরা পূজা অর্চনা করে আসছেন। মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে কে বা কারা মন্দিরে ঢুকে মুর্তিগুলোর মাথা, হাতসহ বিভিন্ন অঙ্গ ভাংচুর করে ধানের খর ও কোরেসিন ঢেলে আগ্নি সংযোগ করে দুর্বৃত্তরা পারিয়ে গেছে।
 
খবর পেয়ে ফরিদপুর-১ আসনের এমপি ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এছাড়া সকালে মধুখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার লুৎফুন নাহার, ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সৈয়দ মোস্তফা কামাল, মধুখালী থানার ওসি মো. রুহুল আমিন, জেলা সিপিবি নেতা অ্যাড. মানিক মজুমদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল হক বকু, প্রবীণ রাজনীতিবিদ হাজি আব্দুল মালেক সিকদার, ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোতালেব মৃধা, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের মনোজ সাহা, সুভাষ রায়, সুখেন মজুমদার, অশোক পোদ্দার প্রমুখ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।  
মন্দির কমিটির সভাপতি অশোক কর্মকার ও সেক্রেটারি তপন রায় জানান, আমরা সকালে মন্দিরের প্রতীমা ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগের ঘটনা দেখতে পাই। 
 
রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোতারেব মৃধা জানান, আমার ইউনিয়নে ৬৫টি মসজিদ এবং ৪৫টি মন্দির রয়েছে। এ ধরনের ঘটনা এটিই প্রথম। 
 
মধুখালী থানা ইনচার্জ (ওসি) মো. রুহুল আমিন জানান, একটি দুষ্টু চক্র অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষে এটা করেছে। ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোড় তদন্ত চলছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।