সিরিয়ান কুর্দিদের যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র সহায়তার ঘোষণায় ক্ষুব্ধ তুরস্ক

সিরিয়ার কুর্দি যোদ্ধাদের অস্ত্র সহায়তা নিয়ে আমেরিকার ঘোষণায় প্রচন্ড ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। কুর্দি যোদ্ধাদের সন্ত্রাসী হিসেবে গণ্য করে আঙ্কারা।
 
রাষ্ট্রীয় সফরে তুরস্কের প্রেসিডেন্টের ওয়াশিংটন সফরের সপ্তাহখানেক আগে এই ঘোষণা আমেরিকা ও তুরস্কের মধ্যে চলমান উত্তেজনাকে আরো বৃদ্ধি করতে পারে। ওয়াশিংটন সফরে প্রথমবারের মত ট্রাম্প ও এরদোয়ানের মধ্যে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
 
সিরিয়ায় আইসিস জিাহদিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ‘কুর্দিশ পিপলস প্রোটেকশন ইউনিটস’ (ওয়াইপিজি) কে ওয়াশিংটন তাদের সহযোদ্ধা মনে করে। কিন্তু আঙ্কারা দলটিকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন ও কুর্দিস্তান ওয়াকার্স পার্টির সিরিয়ান শাখা হিসেবে দেখে থাকে যারা তুরস্কের মধ্যে ১৯৮৪ সাল থেকে একটি বিদ্রোহের জন্য দায়ী। যার কারণে হাজারো মানুষ মৃত্যু বরণ করেন।
 
ওবামার শাসন আমল থেকেই আঙ্কারা-ওয়াশিংটন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক শীতল হতে থাকে। তবে ট্রাম্প শাসনামলে সেটিও উন্নতি হবে বলে অনেকেই আশা করেছিল।
 
একটি টেলিভিশন চ্যানেলে দেয়া সাক্ষাৎকারে তুরস্কের উপ প্রধানমন্ত্রী নুরেত্তিন কানিক্লি বলেন, ওয়াইপিজিকে অস্ত্র সরবরাহ করা সম্পূর্ণভাবে অগ্রহণযোগ্য। এই ধরনের নীতিতে কেউই লাভবান হতে পারবে না। আমরা আশা করি এধরনের ভুল দ্রুত শুধরে নেয়া হবে। ‘বন্ধুত্বের জন্য যেকোন কিছু করতে’ ওয়াশিংটনকে সম্মত করতে কূটনৈতিক তৎপরতাও চালানো হবে বলে জানান তিনি।
 
মন্টিনিগ্রো সফররত তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসোগ্লু বলেন, ওয়াইপিজিকে অস্ত্র সহায়তার মধ্য দিয়ে সেটা পিকেকে গ্রুপের হাতেই তুলে দেয়া হয়। পিকেকে এবং ওয়াইপিজি উভয়েই সন্ত্রাসী সংগঠন। নামব্যতীত তাদের মধ্যে আর কোন পার্থক্য নেই। তাদের কাছে যে কোন অস্ত্র তুরস্কের জন্য হুমকীস্বরুপ।
 
সিরিয়ান নগরী রাকায় আইসিস এর উপর সম্পূর্ণ বিজয় অর্জন করতে ট্রাম্প সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সের মধ্যকার কুর্দিশ যোদ্ধাদের অস্ত্র সহায়তার অনুমোদন দিয়েছে বলে পেন্টাগন এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল। টাইমস অব ইন্ডিয়া।
 
ইত্তেফাক/রেজা