একটি প্রতিবন্ধী ভাতার জন্য স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বার ও নেতাদের আশার বাণী শুনতে শুনতে পার হয়েছে ৬০ বছর। দিন যায়, বছর যায়, নির্বাচন ঘুরে নির্বাচন আসে, জনপ্রতিনিধিও পাল্টায় কিন্তু হতদরিদ্র উপজাতি প্রতিবন্ধী নজিদ মারাকের ভাগ্যে আজও জোটেনি একটি প্রতিবন্ধী কার্ড।
জানা যায়, ভালুকা উপজেলার ডাকাতিয়া ইউনিয়নের চাঁনপুর গ্রামের মৃত জগীন সাংমার ছেলে প্রতিবন্ধী নজিদ মারাক (৬৫) একটি প্রতিবন্ধী ভাতার জন্য বছরের পর বছর জনপ্রতিনিধিদের কাছে ঘুরছে। কিন্তু তার ভাগ্যে আজও কোনো ভাতার ব্যবস্থা হয়নি।
প্রতিবন্ধী নজিদ মারাক বলেন, ‘বাপ-দাদার আমল থেকে নৌকায় ভোট দিয়ে আসছি। আমার ১টি হাত ও ১টি পা অচল। একটি প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ডের জন্য পর পর ৩টি চেয়ারম্যানের কাছে গিয়েছিলাম। তারা সবাই বলছে কার্ড দেবে। কিন্তু নির্বাচনের পরে তারা পাল্টে যায়। আমার ভাগ্য পাল্টে না। মানুষের কাছ থেকে চেয়ে এনে, কোনো মতে খেয়ে না খেয়ে বেঁচে আছি। আমার সংসারে কেউ নাই। বউ, ছেলে-মেয়ে তারাও প্রায় ৩০ বছর আগে আমাকে রেখে হালুয়াঘাট চলে গেছে।’
ডাকাতিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমার কাছে যা ছিল, তা দিয়ে দিয়েছি। আগামীতে এলে অবশ্যই তাকে দেয়া হবে।’
ইত্তেফাক/নূহু