ঘিওর উপজেলার সদর ইউনিয়ন, ঠাকুরকান্দি গ্রাম ও দৌলতপুর উপজেলার খলসী ইউনিয়নের ভররা গ্রামের একমাত্র সংযোগ সড়কটি দীর্ঘদিন যাবত্ সংস্কার করা হচ্ছে না। ফলে এ সড়ক দিয়ে চলাচলকারী দুই ইউনিয়নের ১৫টি গ্রামের লোকজনকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) আওতায় ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ঘিওর উপজেলা থেকে গরু হাট ব্রিজ পর্যন্ত রাস্তা পাকাকরণ করা হয়। সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হামিদুর রহমানের বাড়ি থেকে দুলালের বাড়ি পর্যন্ত এবং সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আ. খালেক বিএসসির বাড়ি থেকে চৌরাস্তা পর্যন্ত কাঁচা রাস্তা দীর্ঘদিনেও পাকাকরণ করা হয়নি। এবারের বন্যায় রাস্তাটি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অপরদিকে ঠাকুরকান্দি ব্রিজ থেকে ভররা বাজার এবং বিনোদপুর বাজার পর্যন্ত রাস্তাটি স্বাধীনতার ৪৬ বছর অতিবাহিত হওয়ার পরেও ইট সোলিং ও পাকাকরণ করা হয়নি। ফলে এই রাস্তা দিয়ে কুস্তা, রসুলপুর, ঠাকুরকান্দি, জামিরকান্দি, বিনোদপুর, নবগ্রাম, বনগ্রাম এবং দৌলতপুর উপজেলার ভররা, খলসী কুমুরিয়া চরখলসী, রাহাতহাটি প্রায় ১৫টি গ্রামের হাজার হাজার মানুষকে যাতায়াতের ক্ষেত্রে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী মো. সাজ্জাকুর রহমান জানান, ঘিওর-ঠাকুরকান্দি, ভররা সড়কটি পরিদর্শন করেছি। এটি মেরামতের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে জরুরি ভিত্তিতে আলাপ করে সকল প্রকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ইত্তেফাক/নূহু