বালাগঞ্জে সেতু নেই, বাঁশের সাঁকো দিয়েই পারাপার

 
সিলেটের বালাগঞ্জের পশ্চিম গৌরীপুর ইউনিয়নের একটি সড়কে দু'টি সেতু না থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার লাখের অধিক মানুষ। চিকিৎসা, শিক্ষা, উৎপাদিত কৃষি পণ্য বহনসহ প্রয়োজনীয় যাতায়াতে লোকজনকে নানা প্রতিবন্ধকতার স্বীকার হতে হচ্ছে।
 
অবহেলিত জনপদের সংযোগ রক্ষাকারী গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে বিভিন্ন সময় সরকারি ও বেসরকারিভাবে মাটি ভরাট করে চলাচলের উপযোগী করা হয়। ব্রিজ না থাকায় অত্রাঞ্চলবাসী চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। ব্রিজ নির্মাণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
 
সরজমিন দেখা গেছে, সিলেট-সুলতানপুর-বালাগঞ্জ সড়কের আজিজপুর বাজার থেকে পূর্ব দিকে বাংলাবাজার, পিরের বাজার ও নয়া বাজার স্পর্শ করে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা সদরের সঙ্গে সংযোগ সড়ক বিদ্যমান রয়েছে। ইতিমধ্যে এই সড়কে আজিজপুর থেকে বাংলা বাজার পর্যন্ত পাকা ও ইটের রাস্তা করা হয়েছে। এই সড়কে 'টলাখাল' ও 'বেতরী নদীর' উপর ব্রিজ না থাকায় বালাগঞ্জ উপজেলার অবহেলিত পশ্চিম গৌরীপুর ইউনিয়ন ও  ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার একাংশের গ্রামগুলোর বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।
 
বাংলাবাজারস্থ পশ্চিম গৌরীপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় সংলগ্ন 'বেতরী নদী' ও 'টলাখালিতে' বর্ষাকালে নৌকা ও আর শুকনা মৌসুমে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে কৃষিপণ্য বহন সহ অত্রাঞ্চলের স্কুল, কলেজগামী শিক্ষার্থী ও স্থানীয় জনসাধারণ ঝুঁকিপূর্ণভাবে পারাপার হয়ে আসছেন।
 
পশ্চিম গৌরীপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রাখাল দাস ও বাংলাবাজারের ব্যবসায়ী ইউনুছ আলী জানান, এই দু'টি ব্রিজের কারণে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অত্রাঞ্চলটি অবহেলিত থেকে যাচ্ছে। লাখের অধিক মানুষের জীবনযাত্রায় চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। পশ্চিম গৌরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম মধুর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল যে-নির্বাচিত হতে পারলে তিনি 'টলাখাল' ও 'বেতরী নদীর' উপর ব্রিজ নির্মাণ করে দে
 
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান বলেন, 'ব্রিজ নির্মাণের বিষয়ে আমি চেষ্টা চালিয়ে আসছি। কিন্তু আমার মেয়াদকালে যদি সরকারি অর্থায়নে ব্রিজ নির্মাণ না হয়, তাহলে পরবর্তীতে আমি নিজের টাকায় ব্রিজ দু'টি করে দেব।'
 
ইত্তেফাক/জামান