বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী ও বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের (বাপশক) প্রাক্তন চেয়ারম্যান ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার ৮ম মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, বিজ্ঞান অজ্ঞতা ও দারিদ্র্যের অন্ধকার দূর করে। ওয়াজেদ মিয়া ছিলেন একজন একনিষ্ঠ ও দেশপ্রেমিক পরমাণু বিজ্ঞানী। মেধা, মনন ও সৃজনশীলতা দিয়ে জনগণের কল্যাণে তিনি কাজ করে গেছেন।
সোমবার রাজধানীতে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের মিলনায়তনে এ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, বিজ্ঞানের উন্নয়ন ছাড়া দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। এ বিশ্বাস নিয়ে ড. ওয়াজেদ বিজ্ঞান উন্নয়নের জন্য আজীবন চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। তাঁর অক্লান্ত প্রচেষ্টার ফলেই আজ বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনে বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় ব্যাপক উন্নয়ন ও গবেষণার দ্বার প্রসারিত হয়েছে। পেশাগত এবং ব্যক্তি জীবনেও তিনি ছিলেন নির্লোভ, নির্মোহ ও নিরহংকার। তাঁর জীবনাদর্শ, সততা ও একনিষ্ঠতা আমাদেরকে অনুসরণ করতে হবে।
তিনি বলেন , ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার আজীবনের স্বপ্ন রূপপুর পরামাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র আজ বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে চলছে।
বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. মঞ্জুরুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. আনোয়ার হোসেন এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ড. নঈম চৌধুরী।
ইত্তেফাক/এমআই