মার্কিন নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপ খতিয়ে দেখতে স্পেশাল কাউন্সিল গঠন করায় যুক্তরাষ্ট্র গভীরভাবে আহত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওয়াশিংটনে এক সংবাদ সম্মেলনে, গত বছরের নির্বাচন প্রচারণার সঙ্গে রাশিয়ান সংশ্লিষ্টতাকে অস্বীকার করেছেন তিনি।
‘এ সমস্ত তদন্ত ভূত খোঁজা ছাড়া আরা কিছুই না, কারণ এখানে কোনো ধরণের যোগসাজশ ছিলো না’ বলেও জানান তিনি।
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ, নির্বাচনে রুশ সংযোগ তদন্ত প্রভাবিত করার জন্য তিনি সংস্থাটির পরিচালক জেমস কোমিকে বরখাস্ত করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি সে অভিযোগও অস্বীকার করেন। কোমি ‘খুবই অজনপ্রিয়’ ছিলেন বলে দাবি করেন ট্রাম্প। তবে, রুশ সংযোগ তদন্তে সাবেক এফবিআই পরিচালক রবার্ট মুলারকে নিয়োগ দিয়েছেন তিনি। এ পদক্ষেপটি ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকান উভয় পক্ষই স্বাগত জানিয়েছে।
ট্রাম্প জানান, ‘রুশ সংযোগের তদন্ত যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এক ভীষণ আঘাত, আর তা দেশকে দ্বিধাবিভক্ত করেছে।’ ট্রাম্প আরও জানান, এসব বিতর্ক এড়িয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার কাজে মন দিতে চান তিনি।
IMG0
কিন্তু এক প্রতিবেদনে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, রাশিয়ার সঙ্গে অন্তত ১৮ দফা গোপন যোগাযোগ হয়েছিল ট্রাম্প শিবিরের। ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রের ৫৮তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রাক্কালে এসব যোগাযোগ হয়েছিল। ফোনকল এবং ই-মেইল চালাচালির মাধ্যমে এ যোগাযোগ সম্পন্ন হয়। নির্বাচনের শেষ সাত মাসে (এপ্রিল থেকে নভেম্বর) মাইকেল ফ্লিন এবং ট্রাম্পের প্রচারশিবিরের অন্য উপদেষ্টারা রুশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ যোগাযোগ রক্ষা করেন। রুশ-ট্রাম্প আঁতাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বর্তমান ও সাবেক মার্কিন কর্মকর্তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এক বিশেষ প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। বিবিসি।
ইত্তেফাক/সেতু