শিশু কিশোরদের সৃজনশীল বিকাশে ‘একটা ছবি দেখাও এঁকে, তুমি সেরা সবার থেকে’ এবং ‘লেখায় খেলায় অংশ নাও সেরা লেখক হয়ে যাও’ এই দুই শ্লোগানকে সামনে রেখে দেশব্যাপী চলছে অনুশীলন কচিকাঁচা স্কুলে স্কুলে। এরই অংশ হিসেবে আজ শনিবার সকালে দিনাজপুর কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজে দিনব্যাপী দৈনিক ইত্তেফাক ও এ টু আই-এর যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো লেখা-আঁকা ও ডকুমেন্টারি তৈরি ও ১৩-১৮ বছরের শিক্ষার্থীদের জন্য কিশোরের বাতায়ন পরিচিতি ও কিশোর কানেক্ট সদস্য অন্তর্ভুক্তিকরণ অনুষ্ঠান।
এ উপলক্ষ্যে দিনাজপুর শিশু একাডেমী মিলনায়তনে সকালে কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. রাইনুর ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও তথ্য প্রযুক্তি) মো. আবু তৈয়ব। বিশেষ অতিথি ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ও দিনাজপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. মতিউর রহমান, ইত্তেফাকের অনুশীলন বিভাগের সম্পাদক চন্দন বর্ম্মণ, এ টু আই প্রকল্পের রফিকুল ইসলাম সুজন, শিশু একাডেমীর সংগঠক সাইফুল ইসলাম প্রমুখ। প্রকল্পের অধীনে উক্ত স্কুলের ৩৫০ ছাত্র/ছাত্রী অংশ নেন। IMG0
বক্তারা বলেন, কিশোরদের নানা দক্ষতা বিকাশের ক্ষেত্রে কিশোর বাতায়নের ভূমিকা হবে আধুনিক, অভিনব, বাস্তব, অনুশীলনমূলক, একুশ শতকের চাহিদাভিত্তিক ও সময়পযোগী। কিশোর বাতায়নে থাকা মজার বই, কমিক্স, এক্সপেরিমেন্ট, মুভি, গেমস প্রভৃতির মাধ্যমে শিক্ষার অভিনব ও ডিজিটাল পরিবেশ তৈরি করতে হবে। কিশোররা তাদের ভাবনা, মতামত দিয়ে, ব্লগ লিখে, ছবি/কার্টুন এঁকে, সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন করে কিংবা কেস স্টাডির মাধ্যমে কিশোর বাতায়নে শেয়ার করার সুযোগ করে নিবে। মুক্তিযুদ্ধ বাঙালির অহংকার। মুক্তিযুভিত্তিক সিনেমা, বই শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশাত্ববোধক ও দেশপ্রেম জাগ্রত করবে। কিশোর বাতায়নে শিক্ষার্থীরা ভিডিও (খুব সহজে মোবাইলেও তৈরি করতে পারে) তৈরি করে আপলোড করতে পারবে। বিজ্ঞানের একটি এক্সপেরিমেন্ট ভিডিও করে শেয়ার করতে পারবে।
পরে স্কুল প্রাঙ্গণে সকল ছাত্র/ছাত্রীরা হাতে কলমে ও কম্পিউটারের মাধ্যমে কার্টুন ও ছবি এঁকে মতামত শেয়ার করে। কিশোর বাতায়নের মধ্যে দিয়ে শিক্ষার্থীরা নিজেদের ভাল লাগার জায়গাগুলো খুঁজে পাবে। এভাবে ভালো লাগার জায়গাতেই হয়ে উঠতে পারে তাদের ক্যারিয়ার। পরে উৎসাহিত ছাত্র/ছাত্রীরা তাদের আঁকা ছবি ও কার্টুনগুলো বিচারকদের হাতে তুলে দেয়ার প্রারম্ভে কার্টুন ও ছবি হাতে নিয়ে ফটোশেসন করে।
ইত্তেফাক/এমআই