সঙ্গীতশিল্পী আসিফ আকবর। অডিও বাজারে এক সময় রেকর্ডসংখ্যক অ্যালবাম রিলিজ পায় তার। মাঝে দীর্ঘ সময় বিরতির পর গত কয়েক বছরে আবারো সঙ্গীতাঙ্গনে নিয়মিত এই সঙ্গীতশিল্পী। কাজের অবস্থা ও ক্যারিয়ারের বিভিন্ন প্রসঙ্গে কথা বললেন বিনোদন প্রতিদিনের সঙ্গে—
জীবনের সফলতম অর্জন কোনটা?
আমার সন্তানরা আমার কাছে সবচেয়ে বড় অর্জন। সব কাজ ফেলে যখন বাড়িতে যাই ওরা যখন আমাকে বাবা বলে ডাক দেয় নিজেকে তখন সব থেকে বেশি সুখি মনে হয়।
এক সময় সিনেমায় নিয়মিত গান করতেন। এখন কমে যাওয়ার কারণ কী?
সিনেমাতে গান করতে এখন স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি না। সিনেমায় যখন নিয়মিত গান করতাম তখন পরিচালকরা কাহিনি, সংলাপ, চরিত্র, কোনটার পর কোনো দৃশ্য সবকিছু বুঝিয়ে বলতেন। আমরা পুরো গল্পটির আবেগ নিজেদের ভেতর ধারণ করে আনন্দ ও দুঃখ নিয়ে গানে কণ্ঠ দিয়েছি। আর এখনকার সিনেমার পরিচালকরা গানের প্রতি অনেক উদাসীন। শুধু যাওয়া আর গান গেয়ে চলে আসা। যারা অভিনয় করছেন তারাও জানে না গানটা কেমন হবে। আরো নানা জটিলতার কারণে সিনেমাতে আমার গান গাওয়াটা কম হচ্ছে।
‘ও প্রিয়া’ গান দিয়ে আপনি ভক্তদের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন। অনেকের ধারণা গানটির মূল সুরকার রাজেশ ও গীতিকার প্রদীপ সাহা। কিন্তু পরবর্তীতে ইথুন বাবুর নাম উঠে এসেছে। এ বিষয়ে জানতে চাই—
‘ও প্রিয়া’ গানটি আমার জীবনকে পরিবর্তন করে দিয়েছে। এই গানটি এত জনপ্রিয় হবে আমি তা ভাবিনি। গানটির সুরকার কে ও গানের কথা কার এই প্রশ্নটি ২০০৭ সালে বেশকিছু সমালোচনায় এসেছিল। রাজেশ ও প্রদীপ সাহা তারা দু’জনই বলেছিল গানটি তাদের দু’জনের সুর ও কথায় গাওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়টি সম্পূর্ণ ভুল। গানের প্রকৃত সুর ও কথা ইথুন বাবুর এবং এটি কাগজ-কলমে প্রমাণিত। আশা করি এ তথ্য নিয়ে আর কেউ বিভ্রান্ত হবেন না।
আপনার বর্তমান ব্যস্ততা প্রসঙ্গে বলুন—
বেশ কয়েকটি নতুন গান নিয়ে ব্যস্ত রয়েছি। একক গানের পাশাপাশি কয়েকটি ডুয়েট গানও করছি। যেহেতু সামনে বৈশাখ ও ঈদ, তাই বিশেষ দিনগুলোকে সামনে রেখে কাজগুলো করছি। পাশাপাশি মিউজিক ভিডিওর কাজ করছি। মূলত এগুলো নিয়েই ব্যস্ত রয়েছি।
সাক্ষাত্কার: নাজমুল হাসান