জিপিএ-৫ পেয়েও পড়ালেখা অনিশ্চিত জীবন ও দীপার

 
এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েও অর্থাভাবে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে দর্জির ছেলে জীবন ও কাঠমিস্ত্রির মেয়ে দীপা রানীর পড়ালেখা। সন্তানের আলোকিত স্বপ্ন পূরণে নিজের আর্থিক অক্ষমতাই বাঁধা হওয়ায় দুশ্চিন্তা ভর করেছে বাবা-মায়েদের চোখে-মুখে।
 
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার কিশামত শিমুলবাড়ী গ্রামের দিনমজুর বিপুল ও দর্জি সেজুতি রানীর ছেলে জীবন কুমার। আর্থিক সামর্থ্য না থাকায় প্রাইভেট-টিউশনি জোটেনি তার ভাগ্যে। তারপরেও থেমে থাকেনি জীবন। নিজের চেষ্টায় রাত জেগে পড়ালেখা করে এবার সে শিমুলবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে তার জীর্ণ কুঠির আলোর বিচ্ছুরণ ঘটালেও বিষণ্ণতা পিছু ছাড়েনি। পড়ালেখায় অনেক খরচ তাই আর্থিক অক্ষমতায় সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কিত তার বাবা-মা।
 
একই অবস্থা উপজেলার মিয়াপাড়া গ্রামের কাঠমিস্ত্রি নিরঞ্জন রায়ের মেয়ে দীপা রানী রায়ের। সেও এবারে এসএসসিতে শিমুলবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছে। তার স্বপ্ন পূরণে বাঁধা পরিবারের আর্থিক অস্বচ্ছলতা। হতাশায় তারা বাবা নিরঞ্জন ও মা লক্ষ্মী রানী।
 
ইত্তেফাক/জামান