যা কিছু প্রথম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

 

প্রাগৈতিকহাসিক কাল থেকেই মানুষ নানা কিছু উদ্ভাবন ও আবিষ্কার করে আসছে। সেসব আবিষ্কার বা উদ্ভাবনের সাক্ষ্য খুব বেশি একটা পাওয়া যায় না। প্রাগৈতিহাসিক মানুষের উদ্ভাবনী কার্যকলাপকে প্রযুক্তি চর্চা বলা গেলেও তাদের অর্জিত জ্ঞান ও উদ্ভাবনাকে বিজ্ঞান বলা যায় কি না তা এক বিতর্কিত বিষয়। বিজ্ঞানের যাত্রা কখন করে থেকে হয়েছে তাও এক বিতর্কিত প্রশ্ন। অনেকে বলেন, সচেতন বিজ্ঞানের যাত্রা হয়েছে মিশরে প্রায় ৫০০০ বছর আগে। অনেকে আবার বলেন, মেসোপটোমিয়ায়। কারণ, মেসোপটোমীয়দের গণিত, কৃষি ও জ্যোতির্বিদ্যার চর্চা মিশরীয়দের থেকে অনেক বেশি সমৃদ্ধ ও সুসংহত এবং বিকশিত। যা মিশরীয় প্রাধান্যকে খর্ব করে। তবে বিজ্ঞান চর্চায় মেসোপটোমিয়ায় কোনো সংগঠন গড়ে ওঠার বহু আগেই মিশরে গড়ে উঠেছিল ‘জীবনের ঘর’ নামে পরিচিত প্রতিষ্ঠান। যেখানে কেবল জ্ঞান চর্চার খাতিরেই জ্ঞান চর্চা হতো। মিশরে ছিলো বিশেষায়িত বিজ্ঞান যেমন— চিকিত্সা বিজ্ঞান; মিশরে বিজ্ঞান চর্চার যাবতীয় তথ্য সংরক্ষণ করা হতো।