সিলেটের দক্ষিণ সুরমার তেতলী নামক স্থানে মঙ্গলবার অটোরিকশা ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে দুই অটোরিকশা যাত্রী নিহত হয়েছেন। এতে আরও চারজন আহত হয়েছেন। আহতদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহতরা হলেন, জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের নারিকেলতলা মাদ্রাসার ছাত্র আনোয়ার মিয়ার পুত্র হাফিজ মারজান আহমদ (১৬) ও তার খালাতো ভাই আদিল আহমদ (৪)।
আহতদের পরিবারের সদস্যরা জানান, সিএনজি অটোরিকশাটি সিলেট শহরে যাওয়ার পথে মহাসড়কের তেতলী নামক স্থানে পৌছা মাত্র অটোরিকশা চালক ট্রাফিক পুলিশ দেখে দ্রুত গতিতে চালিয়ে যাওয়ার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা মাইক্রোবাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এসময় জনতা ট্রাফিক সার্জেন আসাদুজ্জামানের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে অগ্নি সংযোগ করে। খবর পেয়ে এস এমপির দক্ষিণ সুরমার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
দক্ষিণ সুরমা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হারুনুর রশীদ জানান, মহাসড়কে সিএনজি অটোরিকশা চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও সিএনজি অটোরিকশা চালকরা আইন অমান্য করে ট্রাফিক সিগনাল না মেনে মহাসড়কে উঠে যায়। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত অটোরিকশা ও মাইক্রোবাসটি উদ্ধার করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/জামান