সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, আসন্ন রমজানের ঈদে ঘরমুখী যাত্রীদের সেবাপ্রদানে বিআরটিসি’র নয়শত বাস প্রস্তুত থাকছে। পাশাপাশি তাৎক্ষণিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় মহাখালী, গাবতলী, যাত্রাবাড়ি ও সায়েদাবাদ টার্মিনালে পঞ্চাশটি বাসও প্রস্তুত থাকবে। এছাড়া যাত্রীসেবা প্রদানের বিষয়াদি তদারক করতে খোলা হবে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ। এছাড়া ভারতীয় ঋণ কর্মসূচির আওতায় বিআরটিসি’র জন্য ছয়’শ বাস এবং পাঁচ’শ ট্রাক সংগ্রহের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আগামী ডিসেম্বর নাগাদ বাস ও ট্রাকের বহর ঢাকায় আসতে শুরু করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বুধবার সকালে কমলাপুর বাস ডিপোতে বিআরটিসি’র অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেনশন ও গ্র্যাচুইটির চেক বিতরণের সময় মন্ত্রী এসব কথা জানান। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে বিআরটিসি’র তিনটি মনিটরিং টিম নিয়মিত কার্যকর রাখা হবে। এছাড়া সড়কে যানবাহনের কোন প্রকার সমস্যা হলে তাৎক্ষণিকভাবে মেরামতের জন্য পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট চারটি কারিগরি টিম টাঙ্গাইল, বগুড়া, রংপুর এবং কাঁচপুর ব্রিজ এলাকায় স্ট্যান্ডবাই রাখা হবে। এর আগে মন্ত্রী বিআরটিসি’র অবসরপ্রাপ্ত ২১ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর অনুকূলে পেনশন ও গ্র্যাচুইটির বকেয়া পাওনার চেক তুলে দেন। এসময় বক্তব্য রাখেন বিআরটিসি’র চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমান। সভায় বিআরটিসি’র কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
ইত্তেফাক/পাভেল