প্রথম জয়ে এগিয়ে থাকল আবাহনী

এএফসি কাপ ফুটবল

স্পোর্টস রিপোর্টার

নেপালের মাঠে নেপালের দল মানাং মার্সিয়াংদি ক্লাবকে হারিয়ে এএফসি কাপের গ্রুপ পর্বে আবাহনী এগিয়েই থাকল। প্রথম জয়টা পেলে পরের ম্যাচগুলো বাড়তি অনুপ্রেরণা হয়ে কাজ করবে। ঢাকা ছাড়ার আগে আবাহনীর পর্তুগিজ কোচ মারিও লেমস বলে গিয়েছিলেন প্রথম খেলাটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। টনিকের কাজ করবে যদি জয় পাওয়া যায়। সেটা করেছে আবাহনী।

গতকাল বিকালে কাঠমান্ডুর আনফা কমপ্লেকসের মাঠে আবাহনী ১-০ গোলে হারিয়েছে নেপালের লিগ চ্যাম্পিয়ন মানাং মার্সিয়াংদি ক্লাবকে। আবাহনীকে জয় এনে দিয়েছেন ঢাকার লিগে খেলা আফগানিস্তানের ফুটবলার মাসিহ সাইঘানি। এই ফুটবলার খেলার ২৭ মিনিটে গোল করেন। কর্নার থেকে পাওয়া বলে লাফিয়ে উঠে হেড করেন। সেই গোল আর শোধ করতে পারেনি নেপালের মানাং মার্সিয়াংদি ক্লাব। গোল শোধ করার মতো অনেক সুযোগ পেয়েছিল কিন্তু আবাহনীর ডিফেন্ডারদের সঙ্গে গোলকিপার এবং দলের অধিনায়ক শহিদুল আলম সোহেল দক্ষতার সঙ্গে সামাল দিয়েছেন।

আবাহনীর এগিয়ে থাকা কিংবা নেপালের ক্লাবের পিছিয়ে থাকার পরও দুই দলের মধ্যে লড়াইটা ছিল জাতীয় দলের মতোই। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে। নেপাল তাদের পরিচিত টার্ফের মাঠে শুরুটা ভালোই করেছিল। কিন্তু ম্যাচের কিছুটা সময় যেতে না যেতেই আবাহনী যেন নিজেদের জায়গা করে নেয়। ২৭ মিনিটে পাওয়া প্রথম আঘাতেই গোল আদায় করে নেয়। আবাহনী প্রতিপক্ষকে গোল করতে দেবে না, এমন পরিকল্পনা রেখেই রক্ষণভাগের দেয়াল শক্ত করে দেয়। মানাং মার্সিয়াংদি ক্লাব সেই রক্ষণ ভাঙ্গার জন্য মরিয়া হয়ে উঠলেও বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়

 সোহেল একাধিক শট থামিয়ে দিয়েছেন। সোহেল ঢাকায় বলে গিয়েছিলেন গোল খাওয়া যাবে না। নেপালের আফিজের দুর্দান্ত শট ঠেকিয়ে বিপদ থেকে বাঁচিয়েছেন। প্রাণপন লড়াই করে কথা রেখেছেন আবাহনীর অধিনায়ক।  খেলার প্রথমার্ধেই দ্বিতীয় গোলের সুযোগ নষ্ট করেন মানাং মার্সিয়াংদির গোলকিপার। ৮২ মিনিটে আবাহনীর নাইজেরিয়ান সানডের শট সাইড পোস্টে না লাগলে গোল হতো।

এএফসি কাপের ই গ্রুপে লড়াই করছে বাংলাদেশের লিগ চ্যাম্পিয়ন আবাহনী। অন্য দুই প্রতিপক্ষ দল ভারতের। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন দল পরবর্তী রাউন্ডে উঠবে।    

১৭ এপ্রিল ঢাকায় আবাহনীর দ্বিতীয় খেলা। প্রতিপক্ষ ভারতের মিনারভা পাঞ্জাব। ঘরের মাঠে সুবিধা নিতে পারলে আবাহনীর জন্য ভালো। তবে আবাহনী এখন পর্যন্ত এএফসি কাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে খেলার সুযোগ পায়নি। এবার সেই বাঁধার দেয়াল ভাঙতে মরিয়া আবাহনী।