বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) আশরাফুল হক হলের এক কর্মচারীর সাথে ছাত্রলীগ কর্মীদের দুর্ব্যবহার ও লাঞ্ছনার প্রতিবাদে ধর্মঘট পালন করছে ওই হলের সকল কর্মচারীরা। বুধবার দুপুর ৩টা থেকে কর্মচারীরা হল থেকে বের হয়ে এ ধর্মঘট করছে। এতে নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়েছে ওই হল।
জানা গেছে, শহীদ শামসুল হক হল ও আশরাফুল হক হলের শিক্ষার্থীদের মারামারির ঘটনায় শিক্ষার্থীরা ক্ষিপ্ত হয়ে আশরাফুল হক হলের গেটে আটকিয়ে দেয়। এসময় শিক্ষার্থীদের শান্ত করতে বাকৃবি ছাত্রলীগ সভাপতি মো. সবুজ কাজী ও তার সমর্থিত কর্মীরা আশরাফুল হক হলে আসেন। কিন্তু ওই হলের ছাত্রলীগ কর্মীদের দ্বারা হলে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকায় গেটে দায়িত্বরত গার্ড এমদাদ তাদের প্রবেশে বাঁধা দেয়। এসময় গার্ডকে গালাগাল করে হলে প্রবেশ করেন ছাত্রলীগ কর্মীরা। পরে হল থেকে ফিরে যাওয়ার সময়ও ছাত্রলীগের সভাপতিকে প্রবেশ করতে না দেওয়ায় ওই গার্ডকে গালাগাল ও চড়-থাপ্পড় দেয় ওই ছাত্রলীগ কর্মীরা। এসময় ছাত্রলীগ সভাপতি কর্মীদের নিবৃত করার চেষ্টা করে।
এদিকে এ ঘটনায় চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী পরিষদ ক্ষিপ্ত হয়ে সন্ধ্যা ৭টায় জরুরি মিটিং করে। মিটিংয়ে তাদের কর্মচারীদের সাথে এ রকম ঘটনার তীব্র নিন্দা ও আগামীকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার মধ্যে জড়িতদের বিচার না করা হলে কঠোর আন্দোলনের যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ সময়ের মধ্যে আশরাফুল হক হলে কোন কর্মচারী দায়িত্ব পালন করবে না।
এতে নিরাপত্তা শূন্য হয়ে পড়েছে ওই হল। যেকোনো সময় বহিরাগত প্রবেশ করতে পারে। ফলে চুরিসহ যেকোনো অপকর্মের সম্ভাবনা বেড়ে গেছে। এবিষয়ে আশরাফুল হক হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মহির উদ্দিনের কাছে জানতে চাইলে মিটিংয়ে আছি বলে ফোন রেখে দেন। এব্যাপারে ছাত্রলীগের সভাপতি মো. সবুজ কাজীকে ফোন দিলে তিনি ধরেননি।
ইত্তেফাক/জামান