ধর্ষণের কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিলেন নাঈম

বনানীতে হোটেলে আটকে রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনায় দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন মামলার প্রধান আসামি আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদ সেলিমের পুত্র সাফাত আহমেদের বন্ধু নাঈম আশরাফ ওরফে হাসান মোঃ আব্দুল হালিম। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে ঢাকার চিফ মেট্টাপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সত্যব্রত শিকদারের খাস কামরায় তার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। সেই সঙ্গে এই মামলার এজাহারভুক্ত পাঁচ আসামির মধ্যে চার আসামিই আদালতে জবানবন্দি দিলেন। সাফাতের দেহরক্ষী রহমত আলী ৩ দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি।

এছাড়া মামলা নিতে  দেরি করা, ২৫ লাখ টাকা ঘুষ  নেওয়া ও ভুক্তভোগী দুই তরুণীকে হয়রানির অভিযোগে পুলিশের গাফিলতি থাকার সত্যতা যাচাই করতে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার (ডিএমপি) আছাদুজ্জামান মিয়া তিন পুলিশ কর্মকর্তার কাছে লিখিত ব্যাখ্যা চেয়েছেন। তারা হলেন— ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত ডিসি) মানষ কুমার, বনানী থানার ওসি ফরমান আলী ও পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল মতিন। মামলার ফরেনসিক প্রতিবেদন ও বিভিন্ন আলামত  থেকে প্রাপ্ত তথ্যের জন্য অপেক্ষা করছে মামলার তদন্তকারী সংস্থা ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার।

ঢাকা মহানগর পুলিশের অপরাধ, তথ্য ও প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-কমিশনার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান জানান, সাত দিনের রিমান্ড শেষে গতকাল সকাল ১১টার দিকে নাঈম আশরাফকে আদালতে হাজির করা হয়।

নাঈম আশরাফকে আদালতে হাজির করার সময় তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের পুলিশ পরিদর্শক ইসমত আরা এ্যামি। তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চিফ মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সত্যব্রত শিকদারের আদালতে বিকাল ৪টা পর্যন্ত তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। জবানবন্দি শেষে নাঈম আশরাফকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। তার আগে নিয়ম অনুযায়ী তাকে ভেবে দেখার সময় দেওয়া হয়।

রেইনট্রি কর্তৃপক্ষকে মানবাধিকার

কমিশনের জিজ্ঞাসাবাদ

রাজধানীর বনানীতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী ধর্ষণের ঘটনায় দ্য রেইনট্রি হোটেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) বি এ এইচ আদনান হারুন ও জেনারেল ম্যানেজার (জিএম)  ফ্রাংক ফরগেটকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের গঠিত তদন্ত কমিটি। জিজ্ঞাসাবাদকালে তারা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

ইত্তেফাক/নূহু