ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ আতঙ্কে মহেশখালী

 
পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ যেকোনো সময় কক্সবাজারসহ উপকূলীয় এলাকাতে আঘাত হানতে পারে আবহাওয়া অধিদফতরের সংবাদে আতঙ্কে আছে মহেশখালী দ্বীপের সাড়ে চার লাখ মানুষ। 
 
দূর্যোগ মোকাবেলায় প্রস্তুতিমূলক সভা ডেকেছে উপজেলা প্রশাসন। ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ আজ সোমবার সকাল ৯ টায় চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে ৪২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে কক্সবাজার সমুদ্র বন্দর থেকে ৪৪৫ কিলোমিটার, দক্ষিণ- দক্ষিণ পশ্চিমে মগনা সমুদ্র বন্দর থেকে ৫৮০ কিলোমিটার, দক্ষিণ-দক্ষিণ পূর্বে এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ৫১০ কিলোমিটার, দক্ষিণ- দক্ষিণ পূর্ব থেকে অবস্থান করছিল। 
 
আগামীকাল মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার উপকূল অতিক্রম করতে পারে। এই পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর। 
 
এদিকে মহেশখালী উপজেলায় আবহাওয়ার বিশেষ বুলেটিন সংবাদ পাওয়ায় স্থানীয় লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে মাইকিং শুরু করেছে। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত ইউনিও বিভীষণ কান্তি দাশ, ইউনিয়নের সকল চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্ট টেক অফিসারদের দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় অবস্থান করতে নির্দেশ দিয়েছে। এলাকা ভিত্তিক স্কুল কাম সাইক্লোন শেল্টারে সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষকগণকে স্থানীয় লোকজন আশ্রয় নিতে খুলে দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দিয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে জন্য বিভিন্ন বাজারের ব্যবসায়ীদের শুকনো খাবার, চিড়া, মুড়ি, গুড়, দিয়াশলাই, মোমবাদি মজুদ রাখার জন্য নির্দেশ দিয়েছে। মহেশখালী উপজেলা কর্মরত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন রেডক্রিসেন্ট, সিপিপি ও এনজিও সংস্থাদের এলাকাভিত্তিক সিগন্যাল প্রচারের ও নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার কাজে সহায়তার আহ্বান জানান। 
 
মহেশখালী উপজেলার ভারপ্রাপ্ত ইউএনও বিভীষণ কান্তি দাশ জানান, আবহাওয়া অফিসের সিগন্যাল পাওয়ার  সাথে সাথে নিরাপদে সরিয়ে নিতে স্থানীয় চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দূর্যোগ মোকাবেলায় প্রশাসনিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে। নিচু এলাকার লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয় নেয়ার জন্য আহ্বান জানান। 
 
ইত্তেফাক/কেকে