বনানীর এফ আর টাওয়ারের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২৬ জনের প্রাণহানির রেশ তখনো টাটকা, সারা দেশের মানুষ বিয়োগ বেদনায় ব্যথিত, ঠিক তখনই গুলশানের ডিএনসিসি মার্কেটের পাশের কাঁচাবাজারে ঘটে আরেক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। এতে কেউ হতাহত না হলেও পুড়ে ছাই হয়ে গেছে শতাধিক দোকান। ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক দোকান-মালিকের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন। ক্ষতিগ্রস্ত দোকান-মালিকরা জানান, ২০১৭ সালের ৩ জানুয়ারিতেও এই মার্কেট আগুনে পুড়ে ভস্মীভূত হয়েছিল। সেই সময়ের ক্ষয়ক্ষতিগুলো এখনো কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি। বিভিন্ন ব্যাংক, বিমা, এনজিও থেকে লাখ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে গত দু’বছর ধরে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন নিয়ে তাঁরা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছিলেন। তাঁরা এখন নিঃস্ব, রিক্তহস্ত। সরকার তাঁদের পাশে না দাঁড়ালে তাঁরা চিরতরে পথে বসবেন। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুসারে গুলশানের এই অগ্নিকাণ্ডে প্রায় শত কোটি টাকার মালামাল পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের পক্ষে এই ক্ষয়ক্ষতি খুব সহজেই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নয়। এই মুহূর্তে ক্ষতিগ্রস্ত মালিকদের মানবিক সহায়তা দরকার বলে মনে করি। তাই রাষ্ট্রীয় কিংবা অন্য কোনো উপায়ে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের পাশে দাঁড়ানো যায় কি না তা ভেবে দেখার জন্য জনসাধারণের একজন প্রতিনিধি হিসেবে সরকারের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।
মো. জাহানুর ইসলাম
মরিচটারী, রংপুর