কিউবায় আর্নেস্ট হেমিংওয়ের সৃষ্টি সংরক্ষণের উদ্যোগ

 

নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন সাহিত্যিক আর্নেস্ট হেমিংওয়ের লেখা সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে কিউবা। রাজধানী হাভানায় খোলা হয়েছে একটি সংরক্ষণ কেন্দ্র।

যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের কংগ্রেস সদস্য ডেমোক্র্যাটিক নেতা জিম ম্যাকগোভার্ন এ কেন্দ্র উদ্বোধন করেন। তিনি বলেন, “আমরা একসঙ্গে হাত মেলালে, কাজ করলে ইতিবাচক এবং চমত্কার অনেক কিছুই করতে পারি।” কিউবান ন্যাশনাল কালচারাল হেরিটেজ কাউন্সিল এবং যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত ফিঙ্কা ভিজিয়া ফাউন্ডেশন যৌথভাবে ২০১৬ সাল থেকে ওই কেন্দ্র তৈরির কাজ শুরু করেছিল। হেমিংওয়ে যে বিশাল বাড়িতে বাস করতেন সেখানেই অবস্থিত এ কেন্দ্র। ফোর্ড ফাউন্ডেশন, ‘আমেরিকান এক্সপ্রেস ফিলানথ্রোপি’ ও ‘এটি অ্যান্ড টি ফাউন্ডেশন’সহ আরও কিছু প্রতিষ্ঠান থেকে সংরক্ষণ কেন্দ্রটির জন্য তহবিল দেওয়া হয়েছে। এ কেন্দ্রে একটি ল্যাবরেটরি এবং একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ভল্টও আছে। স্নায়ু যুদ্ধকালীন শত্রু দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বার বার শীতল হওয়ার মধ্যেও এ উদ্যোগ দু’য়ের মধ্যে সহযোগিতার এক নতুন অধ্যায়কে সামনে নিয়ে এসেছে। কালজয়ী কথাসাহিত্যিক হেমিংওয়ে ১৯৫৪ সালে তার ‘দ্য ওল্ড ম্যান অ্যান্ড দ্য সি’র জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার জেতেন। ১৮৯৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয়ে জন্ম নেওয়া হেমিংওয়ে দীর্ঘ ২১ বছর কিউবার রাজধানী হাভানা উপকণ্ঠে সান ফ্রান্সিসকো দে পাউলায় বসবাস করেন। সেখানে তার বাড়ি ‘ফিঙ্কা ভিজিয়া’র পুরোটাই এখন জাদুঘর। খবর বিডি নিউজের

১৯৩৯ সালে হেমিংওয়ে ফিঙ্কায় বসবাস শুরু করেন। তার এক বছর পর তার উপন্যাস ‘ফর হুম দ্য বেল টলস’ প্রকাশ পায়। এখানে বসেই তিনি তার জগত্ বিখ্যাত উপন্যাস ‘দ্য ওল্ড ম্যান অ্যান্ড দ্য সি’ লেখেন। যা তাকে পুলিত্জার এবং নোবেল পুরস্কার এনে দেয়। তার স্মৃতিকথা ‘এ মুভেবল ফিস্ট’ এবং ‘আইল্যান্ডস ইন দ্য স্টিম’ উপন্যাসটিও তিনি কিউবায় বসবাস করার সময় লেখেন বলে দাবি স্থানীয় বিশেষজ্ঞদের।