এটুআই ও সাতটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

 
জনগণের দোরগোড়ায় সহজে সেবা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে তথ্যপ্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং সেবা পদ্ধতি সহজীকরণ নিয়ে যৌথভাবে কাজ করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রাম এবং সাতটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়।
 
বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রামের আয়োজনে কার্যালয়স্থ এসএসএফ ব্রিফিং রুমে এই সাতটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে এটুআই প্রোগ্রামের পৃথকভাবে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) এবং এটুআই-এর প্রকল্প পরিচালক কবির বিন আনোয়ার।
 
এটুআই-এর পক্ষে প্রকল্প পরিচালক কবির বিন আনোয়ার, আহছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-এর পক্ষে প্রফেসর ড. এ এম এম সফিউল্লাহ, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি-এর পক্ষে প্রফেসর আনসার আহমেদ, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-এর পক্ষে প্রফেসর ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম, ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ-এর পক্ষে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) মো. আনোয়ারুল ইসলাম, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি- এর পক্ষে প্রফেসর ড. আতিকুল ইসলাম, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-এর পক্ষে প্রফেসর ড. এম রেজওয়ান খান, এবং ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ-এর পক্ষে প্রফেসর এইচ এম জহিরুল হক নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেন।
 
সমঝোতা চুক্তির আওতায় সাতটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই প্রোগ্রাম যৌথভাবে গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও মূল্যায়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং কৌশল নির্ধারণ করবে যা সরকারের বিভিন্ন বিভাগ ও অধিদপ্তরের সেবাসমূহ জনগণের কাছে সহজে ও দ্রুত পৌঁছে দিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্ঞানের প্রায়োগিকভাবে ব্যবহার ও সম্প্রসারণ, গবেষণার মাধ্যমে সামাজিক সমস্যা সমাধানে উদ্ভাবনী প্রকল্প ধারণা তৈরি এবং তা বাস্তবায়নে তাদের অংশগ্রহণ ইত্যাদি নানা ক্ষেত্রে এটুআই এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যৌথভাবে কাজ করবে।
 
বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তথ্য-প্রযুক্তি ক্ষেত্রে এটুআই প্রোগ্রামের অর্জনসমূহ এবং নাগরিক সেবায় উদ্ভাবন তাদের একাডেমিক কোর্সে অন্তর্ভুক্ত করবে। যা তাত্ত্বিক জ্ঞানের সাথে ব্যবহারিক জ্ঞানের সমন্বয়ে দেশের সেবা ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এ চুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও ইন্সটিটিউটের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দক্ষ মানব সম্পদ তৈরিতে অনুঘটক ও সহায়ক হিসেবেও কাজ করবে।
 
ইত্তেফাক/জামান