বিড়ি শিল্পে মূল্যস্তর বৃদ্ধির প্রতিবাদে সারাদেশে বিক্ষোভ

প্রস্তাবিত ২০১৭- ১৮ অর্থবছরের বাজেটে বিড়ি শিল্পের ওপর ১১৫ দশমিক ৪৮ শতাংশ মূল্যস্তর বাড়ানোর প্রতিবাদে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার ৮৪টি স্থানে প্রতিবাদ, মানবন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে বিড়ি শ্রমিকরা। বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশন এই কর্মসূচি পালন করে। 
 
দুপুরে অর্থমন্ত্রীর বাজেট ঘোষণার পরপরই জাতীয় প্রেসক্লাবের  সামনে জড়ো হতে থাকেন বিড়ি শ্রমিকরা।  এ সময়  মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান,  মো. নাসির উদ্দিন, শান্ত কুমার শাহ প্রমুখ। 
 
আব্দুর রহমান বলেন, অর্থমন্ত্রী বহুজাতিক কোম্পানির স্বার্থ রক্ষায় এ বাজেটে বিড়ির ওপর শুল্ক বাড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বাজেটের আগে বলেছেন, দুই বছরের মধ্যে বিড়িকে বিদায় করে দেবেন, সেই কথার বাস্তবায়নে তিনি চরম বৈষম্যমূলক শুল্কনীতি প্রণয়ন করেছেন। তিনি প্রতি হাজার বিড়ির দাম বাড়িয়েছেন ১৮১.৬৪ টাকা।অন্যদিকে সিগারেটে তেমন কোনো  শুল্ক ও মূল্যস্তর বাড়ানো হয়নি। 
IMG0
তিনি এই বৈষম্যমূলক শুল্কায়নের প্রতিবাদ এবং ১৫ লাখ বিড়ি শ্রমিকের কর্মসংস্থানের কথা বিবেচনা করে এই শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি জানান।
 
এদিকে একই দাবিতে টাঙ্গাইল, গাজীপুর, ময়মনসিংহ, সাভার,  চট্টগ্রাম, হাটহাজারি, কক্সবাজার, কুমিল্লা, নোয়াখালী, যশোর, খুলনা, দিনাজপুর, রংপুর, কুষ্টিয়া, পাবনা, লালমনিরহাট, নীলফামারী, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, ঝিনাইদহ, রাজবাড়ী, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, পটুয়াখালি, বরিশাল, নেত্রকোনা, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া, মৌলভীবাজার, মাধবপুর, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, ঈশ্বরগঞ্জ, সিলেট, সুনামগঞ্জ, নারায়গঞ্জ, নরসিংদী, নবাবগঞ্জসহ ৮৪টি পয়েন্টে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। 
 
প্রসঙ্গত,  বিড়ির মূল্যস্তর  ৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫ টাকা করা হয়েছে। ফলে প্রতি হাজারে বিড়ির  শুল্ক বেড়েছে ১৫৭.২৮ থেকে ৩৩৮.৯২ টাকা অর্থাৎ শতকরা হারে বেড়েছে ১১৫.৪৮।
 
ইত্তেফাক/ইউবি